কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীর মাদক ধ্বংস কমিটির উদ্যোগে বিভিন্ন মামলায় জব্দ করা বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও নিষ্পত্তিকৃত মামলার আলামত ধ্বংস করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই ২০২৬) বিকেল ২টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসী প্রাঙ্গণে এ ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
মাদক ধ্বংস কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এ সময় বিভিন্ন মামলায় জব্দ করা ২৩ লাখ ২০ হাজার ৩৭৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৪৭৯ লিটার ৫০০ মিলিলিটার দেশীয় চোলাই মদ, ১ হাজার ৬৯১ ক্যান বিদেশি বিয়ার এবং ৯২ বোতল ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন আলামত ধ্বংস করা হয়।
ধ্বংস করা এসব মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য ৭৯ কোটি ৯০ লাখ ৫০ হাজার ১০০ টাকা।
মাদক ধ্বংস কার্যক্রমে মামলার আলামত ধ্বংস কমিটির চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইরফানুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ এবং জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. গিয়াস উদ্দিন পুরো কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।
আদালত সূত্র জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন মাদকবিরোধী অভিযানে এসব মাদক জব্দ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট মামলার আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর আদালতের বিধি অনুযায়ী এসব মাদক ও আলামত ধ্বংস করা হয়।
এর আগে গত ১৪ জুলাই কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসী প্রাঙ্গণে প্রায় ৯২ কোটি ৪৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস করা হয়েছিল। ওই সময় ২০ লাখ ৮০ হাজার ৬১৮ পিস ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ (আইস), দেশীয় মদ, বিদেশি মদ, বিয়ার ও ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়।
মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও প্রায় ৮০ কোটি টাকার মাদক ধ্বংসের ঘটনায় কক্সবাজারে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আদালতের কঠোর অবস্থানের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে মামলার আলামত হিসেবে সংরক্ষিত এসব মাদক ধ্বংস করায় আদালতের মালখানায় ঝুঁকিপূর্ণ আলামত রাখার চাপও কমবে। পাশাপাশি কক্সবাজারকে মাদক পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার হবে।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসীর মাদক ধ্বংস কমিটির উদ্যোগে বিভিন্ন মামলায় জব্দ করা বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও নিষ্পত্তিকৃত মামলার আলামত ধ্বংস করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই ২০২৬) বিকেল ২টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসী প্রাঙ্গণে এ ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
মাদক ধ্বংস কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এ সময় বিভিন্ন মামলায় জব্দ করা ২৩ লাখ ২০ হাজার ৩৭৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৪৭৯ লিটার ৫০০ মিলিলিটার দেশীয় চোলাই মদ, ১ হাজার ৬৯১ ক্যান বিদেশি বিয়ার এবং ৯২ বোতল ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন আলামত ধ্বংস করা হয়।
ধ্বংস করা এসব মাদকদ্রব্যের আনুমানিক সিজার মূল্য ৭৯ কোটি ৯০ লাখ ৫০ হাজার ১০০ টাকা।
মাদক ধ্বংস কার্যক্রমে মামলার আলামত ধ্বংস কমিটির চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইরফানুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ এবং জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. গিয়াস উদ্দিন পুরো কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন।
আদালত সূত্র জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন মাদকবিরোধী অভিযানে এসব মাদক জব্দ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট মামলার আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর আদালতের বিধি অনুযায়ী এসব মাদক ও আলামত ধ্বংস করা হয়।
এর আগে গত ১৪ জুলাই কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসী প্রাঙ্গণে প্রায় ৯২ কোটি ৪৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫০ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদক ধ্বংস করা হয়েছিল। ওই সময় ২০ লাখ ৮০ হাজার ৬১৮ পিস ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ (আইস), দেশীয় মদ, বিদেশি মদ, বিয়ার ও ফেনসিডিল ধ্বংস করা হয়।
মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও প্রায় ৮০ কোটি টাকার মাদক ধ্বংসের ঘটনায় কক্সবাজারে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে আদালতের কঠোর অবস্থানের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে মামলার আলামত হিসেবে সংরক্ষিত এসব মাদক ধ্বংস করায় আদালতের মালখানায় ঝুঁকিপূর্ণ আলামত রাখার চাপও কমবে। পাশাপাশি কক্সবাজারকে মাদক পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার হবে।
