বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ইকবাল হোসেনের প্রত্যয়; দল যে দায়িত্ব দেবে, সেখানেই থেকে কাজ করবেন

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ইকবাল হোসেনের প্রত্যয়; দল যে দায়িত্ব দেবে, সেখানেই থেকে কাজ করবেন
ছবি: সংগৃহীত


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে সাটুরিয়া উপজেলা শাখায় নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি পদে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন মো. ইকবাল হোসেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি অংশ তাকে সভাপতি পদে দেখতে চান।

সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা, প্রতিকূল সময়ে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার কারণে ইকবাল হোসেনের তৃণমূল পর্যায়ে একটি সমর্থনভিত্তি তৈরি হয়েছে।

ইকবাল হোসেনের সমর্থকদের ভাষ্য, বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে তিনি একাধিকবার পুলিশি হয়রানি ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন। তাদের দাবি, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাবরণ করেন।

এছাড়া ২০২৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরেও দীর্ঘ সময় তিনি বাড়িতে থাকতে পারেননি এবং পুলিশি হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তার সমর্থকরা। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনের পর একপর্যায়ে পুলিশ তাকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

সমর্থকদের মতে, এসব ঘটনাকে দলীয় রাজনীতিতে ইকবাল হোসেনের সক্রিয়তা ও ত্যাগের দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ। তাদের প্রত্যাশা, সভাপতি পদে দায়িত্ব পেলে তিনি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে ভূমিকা রাখবেন।

তবে নেতৃত্বের বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ইকবাল হোসেন বলেন, দলের সিদ্ধান্তই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। দল আমাকে যে জায়গায় রাখবে, আমি সেই জায়গায় থেকেই দলের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে যাব। দায়িত্ব যেটাই হোক, দলীয় আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছেন, দীর্ঘদিন মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা নেতাদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হলে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে। তাদের প্রত্যাশা, ইকবাল হোসেনের মতো সক্রিয় নেতারা দায়িত্ব পেলে সাটুরিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

এদিকে, শেষ পর্যন্ত সাটুরিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃত্বে কারা আসছেন, তা নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্তের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা।

চেকপোস্ট

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬


প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ইকবাল হোসেনের প্রত্যয়; দল যে দায়িত্ব দেবে, সেখানেই থেকে কাজ করবেন

প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে সাটুরিয়া উপজেলা শাখায় নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি পদে প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন মো. ইকবাল হোসেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি অংশ তাকে সভাপতি পদে দেখতে চান।

সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা, প্রতিকূল সময়ে নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখার কারণে ইকবাল হোসেনের তৃণমূল পর্যায়ে একটি সমর্থনভিত্তি তৈরি হয়েছে।

ইকবাল হোসেনের সমর্থকদের ভাষ্য, বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে তিনি একাধিকবার পুলিশি হয়রানি ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন। তাদের দাবি, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাবরণ করেন।

এছাড়া ২০২৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরেও দীর্ঘ সময় তিনি বাড়িতে থাকতে পারেননি এবং পুলিশি হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তার সমর্থকরা। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনের পর একপর্যায়ে পুলিশ তাকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

সমর্থকদের মতে, এসব ঘটনাকে দলীয় রাজনীতিতে ইকবাল হোসেনের সক্রিয়তা ও ত্যাগের দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ। তাদের প্রত্যাশা, সভাপতি পদে দায়িত্ব পেলে তিনি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে ভূমিকা রাখবেন।

তবে নেতৃত্বের বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ইকবাল হোসেন বলেন, দলের সিদ্ধান্তই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। দল আমাকে যে জায়গায় রাখবে, আমি সেই জায়গায় থেকেই দলের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে যাব। দায়িত্ব যেটাই হোক, দলীয় আদর্শ ও শৃঙ্খলা মেনে সংগঠনকে শক্তিশালী করাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”

তৃণমূলের নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছেন, দীর্ঘদিন মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা নেতাদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হলে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে। তাদের প্রত্যাশা, ইকবাল হোসেনের মতো সক্রিয় নেতারা দায়িত্ব পেলে সাটুরিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

এদিকে, শেষ পর্যন্ত সাটুরিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃত্বে কারা আসছেন, তা নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্তের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত