রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে বলেছেন, তারা শুধু সরকারের প্রতিনিধি নন বরং জনগণের প্রকৃত সেবক। জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের মূল দায়িত্ব বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রোববার ৩ মে সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ বক্তব্য দেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ জাতির চিরন্তন প্রেরণা। একইসঙ্গে তিনি জাতীয় নেতৃবৃন্দের অবদানও স্মরণ করেন।
তিনি জানান, জেলা প্রশাসক সম্মেলন নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। মাঠ পর্যায়ের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তাই প্রশাসনকে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সেবামুখী হতে হবে।
তিনি জেলা প্রশাসকদের জনগণের অভিযোগ দ্রুত সমাধান, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং সেবা সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া তিনি জ্বালানি সংকট, বাজার মনিটরিং, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, গুজব ও অনলাইন অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
দুর্নীতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, নারী-শিশু সুরক্ষা এবং যুব উন্নয়নে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশও দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সব ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শেষে রাষ্ট্রপতি ফটোসেশনে অংশ নেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, জেলা প্রশাসকরা নিষ্ঠা ও দক্ষতার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে বলেছেন, তারা শুধু সরকারের প্রতিনিধি নন বরং জনগণের প্রকৃত সেবক। জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের মূল দায়িত্ব বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রোববার ৩ মে সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ বক্তব্য দেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ জাতির চিরন্তন প্রেরণা। একইসঙ্গে তিনি জাতীয় নেতৃবৃন্দের অবদানও স্মরণ করেন।
তিনি জানান, জেলা প্রশাসক সম্মেলন নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। মাঠ পর্যায়ের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তাই প্রশাসনকে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সেবামুখী হতে হবে।
তিনি জেলা প্রশাসকদের জনগণের অভিযোগ দ্রুত সমাধান, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং সেবা সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া তিনি জ্বালানি সংকট, বাজার মনিটরিং, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, গুজব ও অনলাইন অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
দুর্নীতি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, নারী-শিশু সুরক্ষা এবং যুব উন্নয়নে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশও দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সব ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সরকারি ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। শেষে রাষ্ট্রপতি ফটোসেশনে অংশ নেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, জেলা প্রশাসকরা নিষ্ঠা ও দক্ষতার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
