বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

দিঘি থেকে বিতর্কিত কুমির স্থানান্তর

খানজাহান আলী মাজারের কুমির সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায়

খানজাহান আলী মাজারের কুমির সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায়
কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে খুলনা বিভাগীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রে। ছবি : চেকপোস্ট

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খানজাহান আলী (রহ.) মাজার শরীফের দিঘি থেকে আলোচিত কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে খুলনা বিভাগীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রে।

মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুরে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ দলের একটি বিশেষ ইউনিট দিঘি থেকে কুমিরটিকে ধরে খুলনায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর কুমিরটিকে পরবর্তীতে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন ও পর্যটন কেন্দ্রে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

বন বিভাগ ও জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি এবং একাধিক দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পর্যটক, ভক্ত ও স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই কুমির সরানোর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

ঘটনার পেছনে সাম্প্রতিক এক শিশু মৃত্যুর ঘটনাসহ পূর্বের কয়েকটি দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়। এরপর জেলা প্রশাসনের জরুরি সভায় কুমির সরানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মাজার দিঘিতে থাকা কুমিরটির ইতিহাস ও ঐতিহ্য থাকলেও বর্তমানে এটি জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছিল। তাই বিশেষজ্ঞ দলের তত্ত্বাবধানে কুমিরটিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জানান, কুমিরটিকে আপাতত নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এরপর উপযুক্ত পরিবেশ বিবেচনায় করমজল বন্যপ্রাণী কেন্দ্রে পাঠানো হতে পারে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, মাজারের দিঘিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বেষ্টনী নির্মাণের পর ভবিষ্যতে প্রয়োজনে কুমিরটি আবার ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হতে পারে।

#বাগেরহাট #খানজাহানআলী #কুমিরস্থানান্তর

চেকপোস্ট

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬


খানজাহান আলী মাজারের কুমির সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায়

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খানজাহান আলী (রহ.) মাজার শরীফের দিঘি থেকে আলোচিত কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে খুলনা বিভাগীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রে।

মঙ্গলবার (৩ জুন) দুপুরে বন বিভাগের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ দলের একটি বিশেষ ইউনিট দিঘি থেকে কুমিরটিকে ধরে খুলনায় নিয়ে যায়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের পর কুমিরটিকে পরবর্তীতে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন ও পর্যটন কেন্দ্রে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

বন বিভাগ ও জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি এবং একাধিক দুর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পর্যটক, ভক্ত ও স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই কুমির সরানোর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

ঘটনার পেছনে সাম্প্রতিক এক শিশু মৃত্যুর ঘটনাসহ পূর্বের কয়েকটি দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়। এরপর জেলা প্রশাসনের জরুরি সভায় কুমির সরানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মাজার দিঘিতে থাকা কুমিরটির ইতিহাস ও ঐতিহ্য থাকলেও বর্তমানে এটি জননিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছিল। তাই বিশেষজ্ঞ দলের তত্ত্বাবধানে কুমিরটিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জানান, কুমিরটিকে আপাতত নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এরপর উপযুক্ত পরিবেশ বিবেচনায় করমজল বন্যপ্রাণী কেন্দ্রে পাঠানো হতে পারে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, মাজারের দিঘিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বেষ্টনী নির্মাণের পর ভবিষ্যতে প্রয়োজনে কুমিরটি আবার ফিরিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হতে পারে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত