নীলফামারীর সৈয়দপুরে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগানোর ঘটনায় এক ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার হয়েছেন। বুধবার (৩ জুন) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাচারীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ বৃদ্ধ আফাজ উদ্দিন (৬২) কাচারীপাড়ার মৃত ঢেপা মাহমুদের ছেলে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় বার্ন ইউনিটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে এটি নাশকতা নাকি পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিত হামলা এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে।
এক পক্ষের দাবি, দীর্ঘদিনের জমি ও পারিবারিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। অপর পক্ষের দাবি, এটি একটি সাজানো নাটক এবং প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজেরাই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি ও পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে গত কয়েক মাস ধরে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এর আগেও উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দোষীদের শনাক্তে কাজ চলছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক এবং এর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। একই সঙ্গে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এদিকে আহত বৃদ্ধের পরিবার দাবি করেছে, এটি পূর্বপরিকল্পিত হামলা এবং দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অন্যদিকে প্রতিপক্ষ পরিবার অভিযোগ অস্বীকার করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগানোর ঘটনায় এক ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার হয়েছেন। বুধবার (৩ জুন) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাচারীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ বৃদ্ধ আফাজ উদ্দিন (৬২) কাচারীপাড়ার মৃত ঢেপা মাহমুদের ছেলে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতাল থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় বার্ন ইউনিটে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে এটি নাশকতা নাকি পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিত হামলা এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে।
এক পক্ষের দাবি, দীর্ঘদিনের জমি ও পারিবারিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। অপর পক্ষের দাবি, এটি একটি সাজানো নাটক এবং প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজেরাই ঘটনাটি ঘটিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমি ও পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে গত কয়েক মাস ধরে দুই পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এর আগেও উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দোষীদের শনাক্তে কাজ চলছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক এবং এর সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। একই সঙ্গে নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এদিকে আহত বৃদ্ধের পরিবার দাবি করেছে, এটি পূর্বপরিকল্পিত হামলা এবং দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অন্যদিকে প্রতিপক্ষ পরিবার অভিযোগ অস্বীকার করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
