ঢালিউড কুইনখ্যাত অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস জানিয়েছেন, তিনি কখনও নায়িকা হওয়ার কথা ভাবেননি। ছোটবেলায় তার স্বপ্ন ছিল একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবে নাচের মাধ্যমে ভালো কিছু করা।
এশিয়া পোস্টের ঈদুল আজহার বিনোদন আয়োজন ‘এপি স্টার’-এ এসে তিনি তার শৈশব ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা অজানা কথা তুলে ধরেন।
অপু বিশ্বাস বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি নাচ করতেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। তবে নায়িকা হওয়ার মতো কোনো পরিকল্পনা তার ছিল না। বরং নাচের মাধ্যমেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
তিনি আরও জানান, আলাদা গেটআপ ও মেকআপের কারণে ছোটবেলায় বন্ধু ও প্রতিবেশীরা তাকে ‘নায়িকা’ বলে ডাকত, যা তাকে আলাদা অনুভব করাত। তবে এটি কখনও ভবিষ্যতের লক্ষ্য হিসেবে কাজ করেনি।
সিনেমা দেখা নিয়েও নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে অপু বলেন, সিনেমায় আসার আগে খুব বেশি সিনেমা দেখা হয়নি, মায়ের সঙ্গে একবার হলে গিয়ে সিনেমা দেখেছিলেন।
শৈশবের খেলাধুলা ও পড়াশোনা নিয়ে তিনি বলেন, নাচ শেখা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের কারণে খেলাধুলার সময় খুব কম পেতেন। স্কুলজীবনে তিনি ছিলেন দায়িত্বশীল ও প্রতিবাদী ছাত্রী হিসেবে পরিচিত।
তিনি জানান, ক্লাস ক্যাপ্টেন থাকাকালীন স্কুলের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও পরিকল্পনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতেন এবং স্যারদের সঙ্গে মিলে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন করতেন।
অপু বিশ্বাস আরও বলেন, তিনি ক্লাস ফাইভে বৃত্তি পেয়েছিলেন এবং পড়াশোনায় মোটামুটি ভালো ছিলেন।
শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি জানান, ছোটবেলায় তাকে অনেকে ছেলে ভেবে ডাকত এবং তিনি নিজেও ছিলেন বেশ ডানপিটে স্বভাবের। তবে কখনও স্কুল পালানো বা বড় ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হননি।
ঢালিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী জানান, শৈশব ও কৈশোর কেটেছে বগুড়ায়। পরে নৃত্যশিল্পী হিসেবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন।

রোববার, ৩১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
ঢালিউড কুইনখ্যাত অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস জানিয়েছেন, তিনি কখনও নায়িকা হওয়ার কথা ভাবেননি। ছোটবেলায় তার স্বপ্ন ছিল একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবে নাচের মাধ্যমে ভালো কিছু করা।
এশিয়া পোস্টের ঈদুল আজহার বিনোদন আয়োজন ‘এপি স্টার’-এ এসে তিনি তার শৈশব ও ব্যক্তিগত জীবনের নানা অজানা কথা তুলে ধরেন।
অপু বিশ্বাস বলেন, ছোটবেলা থেকেই তিনি নাচ করতেন এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। তবে নায়িকা হওয়ার মতো কোনো পরিকল্পনা তার ছিল না। বরং নাচের মাধ্যমেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
তিনি আরও জানান, আলাদা গেটআপ ও মেকআপের কারণে ছোটবেলায় বন্ধু ও প্রতিবেশীরা তাকে ‘নায়িকা’ বলে ডাকত, যা তাকে আলাদা অনুভব করাত। তবে এটি কখনও ভবিষ্যতের লক্ষ্য হিসেবে কাজ করেনি।
সিনেমা দেখা নিয়েও নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে অপু বলেন, সিনেমায় আসার আগে খুব বেশি সিনেমা দেখা হয়নি, মায়ের সঙ্গে একবার হলে গিয়ে সিনেমা দেখেছিলেন।
শৈশবের খেলাধুলা ও পড়াশোনা নিয়ে তিনি বলেন, নাচ শেখা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের কারণে খেলাধুলার সময় খুব কম পেতেন। স্কুলজীবনে তিনি ছিলেন দায়িত্বশীল ও প্রতিবাদী ছাত্রী হিসেবে পরিচিত।
তিনি জানান, ক্লাস ক্যাপ্টেন থাকাকালীন স্কুলের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও পরিকল্পনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতেন এবং স্যারদের সঙ্গে মিলে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন করতেন।
অপু বিশ্বাস আরও বলেন, তিনি ক্লাস ফাইভে বৃত্তি পেয়েছিলেন এবং পড়াশোনায় মোটামুটি ভালো ছিলেন।
শৈশবের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি জানান, ছোটবেলায় তাকে অনেকে ছেলে ভেবে ডাকত এবং তিনি নিজেও ছিলেন বেশ ডানপিটে স্বভাবের। তবে কখনও স্কুল পালানো বা বড় ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হননি।
ঢালিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী জানান, শৈশব ও কৈশোর কেটেছে বগুড়ায়। পরে নৃত্যশিল্পী হিসেবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন।
