ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে স্থানীয় জনতার হাতে আটক হওয়ার পর এক মাদক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৮ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) দুপুরে উপজেলার গোকর্ণ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপজেলার গোকর্ণ গ্রামের রাজ্জাক খান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজ্জাক খানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিল। রোববার দুপুরে এলাকাবাসী তাকে আটক করে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সোপর্দ করেন।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীনা নাছরিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর রাজ্জাক খানকে ১৮ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউএনও শাহীনা নাছরিন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থান কঠোর। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রাজ্জাক খানের কারাদণ্ডের খবরে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এলাকাবাসী মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুন ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে স্থানীয় জনতার হাতে আটক হওয়ার পর এক মাদক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৮ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) দুপুরে উপজেলার গোকর্ণ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপজেলার গোকর্ণ গ্রামের রাজ্জাক খান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজ্জাক খানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিল। রোববার দুপুরে এলাকাবাসী তাকে আটক করে নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সোপর্দ করেন।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীনা নাছরিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর রাজ্জাক খানকে ১৮ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউএনও শাহীনা নাছরিন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অবস্থান কঠোর। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রাজ্জাক খানের কারাদণ্ডের খবরে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এলাকাবাসী মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে প্রশাসনের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
