ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নে অবস্থিত সরাইল-নাসিরনগর-হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলের শতবর্ষী মহাখাল সেতু এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষায়, এটি এখন সেতু নয় একটি মৃত্যুফাঁদ।
দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকা এই সেতুর মাঝখানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। দুই পাশের অংশ ভেঙে পড়েছে, রেলিং ও ডেকে তৈরি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। কংক্রিট উঠে গিয়ে রড বের হয়ে পড়ায় সেতুর মূল কাঠামো মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভারী যানবাহন চলাচলের সময় পুরো সেতু কেঁপে ওঠে এবং যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। বিকল্প হিসেবে নির্মিত অস্থায়ী মিনি সেতুও এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে, কারণ এর নিচ থেকে মাটি সরে গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর ওপর দিয়েই প্রতিদিন বাস, ট্রাক, সিএনজি, অটোরিকশা ও হাজারো সাধারণ মানুষ চলাচল করছেন। এতে শিক্ষার্থী ও যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, এই সেতু দিয়ে আমাদের সন্তানরা স্কুলে যায়, প্রতিদিন ভয় লাগে কখন ভেঙে পড়ে।
সিএনজি চালক কুদ্দুস মিয়া জানান, গর্ত ও দুর্বল কাঠামোর কারণে সেতু পার হতে ভয় লাগে এবং মাঝেমধ্যে ছোট দুর্ঘটনাও ঘটে।
এলাকাবাসীর দাবি, এই সেতু ভেঙে পড়লে সরাইল-নাসিরনগর ও হবিগঞ্জের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, যার ফলে প্রায় চার লাখ মানুষের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।
তারা দ্রুত পুরোনো সেতুর সংস্কার অথবা নতুন টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জানান, তিনি নতুন হওয়ায় সেতুটির অবস্থান সম্পর্কে অবগত নন। অন্যদিকে ইউএনও’র সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য জানিয়েছেন, তিনি দ্রুত সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার বুড়িশ্বর ইউনিয়নে অবস্থিত সরাইল-নাসিরনগর-হবিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলের শতবর্ষী মহাখাল সেতু এখন চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের ভাষায়, এটি এখন সেতু নয় একটি মৃত্যুফাঁদ।
দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকা এই সেতুর মাঝখানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। দুই পাশের অংশ ভেঙে পড়েছে, রেলিং ও ডেকে তৈরি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। কংক্রিট উঠে গিয়ে রড বের হয়ে পড়ায় সেতুর মূল কাঠামো মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভারী যানবাহন চলাচলের সময় পুরো সেতু কেঁপে ওঠে এবং যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। বিকল্প হিসেবে নির্মিত অস্থায়ী মিনি সেতুও এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে, কারণ এর নিচ থেকে মাটি সরে গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, এই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর ওপর দিয়েই প্রতিদিন বাস, ট্রাক, সিএনজি, অটোরিকশা ও হাজারো সাধারণ মানুষ চলাচল করছেন। এতে শিক্ষার্থী ও যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, এই সেতু দিয়ে আমাদের সন্তানরা স্কুলে যায়, প্রতিদিন ভয় লাগে কখন ভেঙে পড়ে।
সিএনজি চালক কুদ্দুস মিয়া জানান, গর্ত ও দুর্বল কাঠামোর কারণে সেতু পার হতে ভয় লাগে এবং মাঝেমধ্যে ছোট দুর্ঘটনাও ঘটে।
এলাকাবাসীর দাবি, এই সেতু ভেঙে পড়লে সরাইল-নাসিরনগর ও হবিগঞ্জের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, যার ফলে প্রায় চার লাখ মানুষের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।
তারা দ্রুত পুরোনো সেতুর সংস্কার অথবা নতুন টেকসই সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী জানান, তিনি নতুন হওয়ায় সেতুটির অবস্থান সম্পর্কে অবগত নন। অন্যদিকে ইউএনও’র সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য জানিয়েছেন, তিনি দ্রুত সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
