জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও দেশের তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) ও স্টার্টআপ খাতে আগের প্রভাবশালী বলয়ের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সমালোচকদের অভিযোগ, বিগত সরকারের সময়ে আইসিটি খাতের বিভিন্ন প্রকল্প, সরকারি বিনিয়োগ ও স্টার্টআপ সহায়তা কার্যক্রমে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান ও গোষ্ঠী তুলনামূলক বেশি সুবিধা পেয়েছে। এ বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত ও পূর্ণাঙ্গ অডিটের দাবি জানিয়েছেন প্রযুক্তি খাতের অনেকে।
অভিযোগ রয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদের সময়ে গড়ে ওঠা নীতিগত কাঠামোর কারণে কিছু স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান বিশেষ সুবিধা পেয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের বিষয়ে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
প্রযুক্তি খাতের আলোচনায় ShareTrip, Chaldal, ShopUp, GoZayaan, Agroshift ও Anchorless Bangladesh-এর মতো কয়েকটি স্টার্টআপের নাম উঠে এসেছে। সমালোচকদের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি সহায়তা, বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে তুলনামূলক বেশি সুযোগ পেয়েছে।
তাদের মতে, সরকারি ভেঞ্চার বিনিয়োগ, আইসিটি প্রকল্প, টেন্ডার ও বিভিন্ন প্রযুক্তি ইভেন্টে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা না হলে নতুন উদ্যোক্তারা সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
জানা গেছে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আইসিটি খাতে আগের নীতিমালা, বিনিয়োগ কাঠামো ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা নিয়ে পুনর্মূল্যায়নের দাবি জোরালো হয়েছে।
প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত কয়েক বছরের সব সরকারি ভেঞ্চার বিনিয়োগ, প্রকল্প বরাদ্দ, টেন্ডার এবং স্টার্টআপ সহায়তা কার্যক্রমের স্বাধীন অডিট প্রকাশ করা হলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।
তাদের দাবি, ভবিষ্যতে আইসিটি খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে মেধা, উদ্ভাবন ও স্বচ্ছ প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে হবে।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও দেশের তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) ও স্টার্টআপ খাতে আগের প্রভাবশালী বলয়ের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সমালোচকদের অভিযোগ, বিগত সরকারের সময়ে আইসিটি খাতের বিভিন্ন প্রকল্প, সরকারি বিনিয়োগ ও স্টার্টআপ সহায়তা কার্যক্রমে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান ও গোষ্ঠী তুলনামূলক বেশি সুবিধা পেয়েছে। এ বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত ও পূর্ণাঙ্গ অডিটের দাবি জানিয়েছেন প্রযুক্তি খাতের অনেকে।
অভিযোগ রয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদের সময়ে গড়ে ওঠা নীতিগত কাঠামোর কারণে কিছু স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান বিশেষ সুবিধা পেয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের বিষয়ে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
প্রযুক্তি খাতের আলোচনায় ShareTrip, Chaldal, ShopUp, GoZayaan, Agroshift ও Anchorless Bangladesh-এর মতো কয়েকটি স্টার্টআপের নাম উঠে এসেছে। সমালোচকদের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠান সরকারি সহায়তা, বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে তুলনামূলক বেশি সুযোগ পেয়েছে।
তাদের মতে, সরকারি ভেঞ্চার বিনিয়োগ, আইসিটি প্রকল্প, টেন্ডার ও বিভিন্ন প্রযুক্তি ইভেন্টে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা না হলে নতুন উদ্যোক্তারা সমান সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
জানা গেছে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর আইসিটি খাতে আগের নীতিমালা, বিনিয়োগ কাঠামো ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা নিয়ে পুনর্মূল্যায়নের দাবি জোরালো হয়েছে।
প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত কয়েক বছরের সব সরকারি ভেঞ্চার বিনিয়োগ, প্রকল্প বরাদ্দ, টেন্ডার এবং স্টার্টআপ সহায়তা কার্যক্রমের স্বাধীন অডিট প্রকাশ করা হলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।
তাদের দাবি, ভবিষ্যতে আইসিটি খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রেখে মেধা, উদ্ভাবন ও স্বচ্ছ প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে হবে।
