মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় রেজাউল করিম (৫২) ওরফে লাভলু নামে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে উপজেলার অন্বয়পুর গ্রামে নিজ বাড়ির পাশের একটি আমগাছ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত রেজাউল করিম শিবালয় মডেল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং অন্বয়পুর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পাশে আমগাছে রেজাউল করিমের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর দেওয়া হলে শিবালয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
স্থানীয়দের দাবি, বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমা, ঋণের চাপ ও আর্থিক সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে চাপে ছিলেন রেজাউল করিম। স্থানীয় ব্যক্তি ও বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) থেকেও তিনি ঋণ নিয়েছিলেন বলে জানান এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক সমস্যা ও ঋণের চাপে তিনি ভুগছিলেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় রেজাউল করিম (৫২) ওরফে লাভলু নামে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে উপজেলার অন্বয়পুর গ্রামে নিজ বাড়ির পাশের একটি আমগাছ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত রেজাউল করিম শিবালয় মডেল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং অন্বয়পুর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পাশে আমগাছে রেজাউল করিমের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর দেওয়া হলে শিবালয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
স্থানীয়দের দাবি, বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমা, ঋণের চাপ ও আর্থিক সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে চাপে ছিলেন রেজাউল করিম। স্থানীয় ব্যক্তি ও বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) থেকেও তিনি ঋণ নিয়েছিলেন বলে জানান এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী, শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক সমস্যা ও ঋণের চাপে তিনি ভুগছিলেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
