নারী নির্যাতন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নীলা সুলতানা।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে নীলা সুলতানা দাবি করেন, তিনি একজন চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ী। প্রায় চার বছর আগে জাহিদুল ইসলাম অনিক নামে এক ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট শর্তে জামানত হিসেবে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও ব্যাংক চেকের মাধ্যমে ৪ লাখ টাকা দেন। পরে টাকা ফেরত চাইলে নানা অজুহাতে বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ৪ মে রাতে কয়েকজন ব্যক্তি তার বাসায় প্রবেশ করে তাকে ও তার স্বামীকে মারধর, নির্যাতন এবং ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, সৌদি রিয়েল, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও ব্যাংকের চেক নেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।
নীলা সুলতানার আরও অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে নির্যাতন করে ভয়ভীতি দেখায় এবং মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তার ওপর শারীরিক নির্যাতন ও যৌন সহিংসতা চালানো হয়, যার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিনি জানান, প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ১৯ মে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন বলে জানান তিনি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মামলা গ্রহণের সময় কয়েকজনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্তরা রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতার কারণে তিনি নিজ বাসায় ফিরতে পারছেন না বলেও দাবি করেন।
নীলা সুলতানা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
নারী নির্যাতন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নীলা সুলতানা।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে নীলা সুলতানা দাবি করেন, তিনি একজন চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ী। প্রায় চার বছর আগে জাহিদুল ইসলাম অনিক নামে এক ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট শর্তে জামানত হিসেবে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও ব্যাংক চেকের মাধ্যমে ৪ লাখ টাকা দেন। পরে টাকা ফেরত চাইলে নানা অজুহাতে বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করেন, গত ৪ মে রাতে কয়েকজন ব্যক্তি তার বাসায় প্রবেশ করে তাকে ও তার স্বামীকে মারধর, নির্যাতন এবং ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, সৌদি রিয়েল, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ও ব্যাংকের চেক নেওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।
নীলা সুলতানার আরও অভিযোগ, হামলাকারীরা তাকে নির্যাতন করে ভয়ভীতি দেখায় এবং মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে। তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তার ওপর শারীরিক নির্যাতন ও যৌন সহিংসতা চালানো হয়, যার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিনি জানান, প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ১৯ মে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন বলে জানান তিনি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মামলা গ্রহণের সময় কয়েকজনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্তরা রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতার কারণে তিনি নিজ বাসায় ফিরতে পারছেন না বলেও দাবি করেন।
নীলা সুলতানা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
