বাংলা ভাষায় কথা বলা ও মুসলিম পরিচয়ের কারণে এক ভারতীয় নারীকে বাংলাদেশি নাগরিক আখ্যা দিয়ে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সাইদা ফকিরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তার পরিবার।
সাইদা ফকির ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর এলাকার বাসিন্দা। তিনি গত প্রায় ২০ বছর ধরে স্বামী জুম্মান ফকিরের সঙ্গে মুম্বাইয়ে বসবাস করে গাড়ি পরিষ্কারের কাজ করতেন।
পরিবারের অভিযোগ, গত ১৯ জুলাই মুম্বাইয়ের একটি বাজার থেকে সাইদা ফকিরকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটক করে পুলিশ। তিনি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করলেও তার বক্তব্য গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।
স্বজনদের দাবি, আটকের পর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ না দিয়েই তাকে মুম্বাই থেকে আসামের একটি হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়। পরে কোনো আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ না দিয়ে ২৩ জুলাই আসাম সীমান্ত দিয়ে তাকে বাংলাদেশে পুশইন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
বর্তমানে সাইদা ফকির বাংলাদেশের সাতক্ষীরা এলাকায় অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে পরিবার। স্থানীয়দের সহায়তায় ভিডিও কলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভারতে ফিরে যাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন তিনি।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সাইদা ফকিরকে দেশে ফেরানোর দাবিতে তার ছেলে ও পুত্রবধূ কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন। আদালতে তার ভারতীয় নাগরিকত্বের বিভিন্ন প্রমাণপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি আদালত।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা মানবাধিকার কমিশনসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন। দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে সাইদা ফকিরকে ভারতে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
বাংলা ভাষায় কথা বলা ও মুসলিম পরিচয়ের কারণে এক ভারতীয় নারীকে বাংলাদেশি নাগরিক আখ্যা দিয়ে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সাইদা ফকিরকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তার পরিবার।
সাইদা ফকির ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর এলাকার বাসিন্দা। তিনি গত প্রায় ২০ বছর ধরে স্বামী জুম্মান ফকিরের সঙ্গে মুম্বাইয়ে বসবাস করে গাড়ি পরিষ্কারের কাজ করতেন।
পরিবারের অভিযোগ, গত ১৯ জুলাই মুম্বাইয়ের একটি বাজার থেকে সাইদা ফকিরকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটক করে পুলিশ। তিনি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করলেও তার বক্তব্য গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।
স্বজনদের দাবি, আটকের পর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ না দিয়েই তাকে মুম্বাই থেকে আসামের একটি হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়। পরে কোনো আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ না দিয়ে ২৩ জুলাই আসাম সীমান্ত দিয়ে তাকে বাংলাদেশে পুশইন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
বর্তমানে সাইদা ফকির বাংলাদেশের সাতক্ষীরা এলাকায় অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছে পরিবার। স্থানীয়দের সহায়তায় ভিডিও কলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভারতে ফিরে যাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন তিনি।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সাইদা ফকিরকে দেশে ফেরানোর দাবিতে তার ছেলে ও পুত্রবধূ কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন। আদালতে তার ভারতীয় নাগরিকত্বের বিভিন্ন প্রমাণপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি আদালত।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা মানবাধিকার কমিশনসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন। দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে সাইদা ফকিরকে ভারতে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
