গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে পুনঃখননকৃত বারখাল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উজ জামান। শুক্রবার বিকেলে নৌকাযোগে তিনি খালের পুরো অংশ ঘুরে দেখেন এবং প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন খাল পুনরুদ্ধার ও দখলমুক্ত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় টুঙ্গিপাড়ার দখলকৃত খালগুলোও ধাপে ধাপে উন্মুক্ত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, খাল পুনঃখননের ফলে দেশীয় মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরা সহজে নৌপথে কৃষিপণ্য পরিবহন করতে পারবেন, যা উৎপাদন খরচ কমাতে সহায়তা করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম। তিনি জানান, নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী খাল খননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং কিছু অংশে অতিরিক্ত গভীরতায় খনন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১ হাজার ৮০০ মিটার দীর্ঘ বারখাল দীর্ঘদিন নাব্যতা হারিয়ে ভরাট হয়ে পড়েছিল। পুনঃখননের ফলে এখন পানির ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নৌযান চলাচলের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, ইজিপিপি প্রকল্পের আওতায় এই খাল পুনঃখনন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং একে গ্রামীণ অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন।

শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে পুনঃখননকৃত বারখাল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আরিফ উজ জামান। শুক্রবার বিকেলে নৌকাযোগে তিনি খালের পুরো অংশ ঘুরে দেখেন এবং প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন খাল পুনরুদ্ধার ও দখলমুক্ত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় টুঙ্গিপাড়ার দখলকৃত খালগুলোও ধাপে ধাপে উন্মুক্ত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, খাল পুনঃখননের ফলে দেশীয় মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষকরা সহজে নৌপথে কৃষিপণ্য পরিবহন করতে পারবেন, যা উৎপাদন খরচ কমাতে সহায়তা করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম। তিনি জানান, নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী খাল খননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং কিছু অংশে অতিরিক্ত গভীরতায় খনন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১ হাজার ৮০০ মিটার দীর্ঘ বারখাল দীর্ঘদিন নাব্যতা হারিয়ে ভরাট হয়ে পড়েছিল। পুনঃখননের ফলে এখন পানির ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নৌযান চলাচলের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, ইজিপিপি প্রকল্পের আওতায় এই খাল পুনঃখনন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং একে গ্রামীণ অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন।
