গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরের খরিফ-২ মৌসুম উপলক্ষে সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ৩০০ কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ, সার, ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা এবং বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) বিকেল ৩টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে এসব উপকরণ তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম। তিনি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বও করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাকিবুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শ্রীময়ী বাকচী, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ প্রণোদনার আওতাভুক্ত কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) ও হর্টিকালচার সেন্টার থেকে সরবরাহ করা কৃষি উপকরণ মাঠপর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের প্রস্তুত করা অগ্রাধিকার তালিকার ভিত্তিতে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
এ কর্মসূচির আওতায় ৭০০ জন কৃষককে জনপ্রতি ৫ কেজি উফশী আমন ধানের বীজ এবং ২০ কেজি রাসায়নিক সার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরও ৬০০ কৃষকের মধ্যে গ্রীষ্মকালীন সবজির বীজ, বিভিন্ন জাতের মোট ২ হাজার ৪০০টি ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা, রাসায়নিক ও জৈব সার (গোবর) এবং সবজি চাষের জন্য প্রয়োজনীয় বাঁশের খুঁটি বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে ইউএনও জহিরুল আলম বলেন, সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা। তিনি কৃষকদের বিতরণ করা উপকরণ যথাযথভাবে ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান জানান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে যাবেন।
অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগী কৃষকদের হাতে কৃষি উপকরণ তুলে দেওয়া হয়। এ সময় কৃষকরা সরকারের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরের খরিফ-২ মৌসুম উপলক্ষে সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ৩০০ কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ, সার, ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা এবং বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) বিকেল ৩টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের হাতে এসব উপকরণ তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম। তিনি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বও করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাকিবুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শ্রীময়ী বাকচী, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ প্রণোদনার আওতাভুক্ত কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) ও হর্টিকালচার সেন্টার থেকে সরবরাহ করা কৃষি উপকরণ মাঠপর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের প্রস্তুত করা অগ্রাধিকার তালিকার ভিত্তিতে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
এ কর্মসূচির আওতায় ৭০০ জন কৃষককে জনপ্রতি ৫ কেজি উফশী আমন ধানের বীজ এবং ২০ কেজি রাসায়নিক সার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরও ৬০০ কৃষকের মধ্যে গ্রীষ্মকালীন সবজির বীজ, বিভিন্ন জাতের মোট ২ হাজার ৪০০টি ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা, রাসায়নিক ও জৈব সার (গোবর) এবং সবজি চাষের জন্য প্রয়োজনীয় বাঁশের খুঁটি বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে ইউএনও জহিরুল আলম বলেন, সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করা। তিনি কৃষকদের বিতরণ করা উপকরণ যথাযথভাবে ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান জানান।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাকিবুল ইসলাম বলেন, এ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হচ্ছেন। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে যাবেন।
অনুষ্ঠান শেষে উপকারভোগী কৃষকদের হাতে কৃষি উপকরণ তুলে দেওয়া হয়। এ সময় কৃষকরা সরকারের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
