ঘুমিয়ে পড়ার সময় হঠাৎ শরীর ঝাঁকুনি দিয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই ঘটনাকে ‘হাইপনিক জার্ক’ বা ‘হাইপনাগোগিক জার্ক’ বলা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের শুরুতে শরীরের পেশি শিথিল হওয়ার সময় মস্তিষ্কের সাময়িক বিভ্রান্তির কারণে হঠাৎ পেশির সংকোচন ঘটে। তখন মনে হয় শরীর যেন আচমকা লাফিয়ে উঠছে বা কেঁপে উঠছে।
এটি সাধারণত ক্ষতিকর নয়। তবে ঘন ঘন হলে ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হতে পারে।
ঘুমের এই সমস্যা কমাতে চিকিৎসকরা কয়েকটি অভ্যাস পরিবর্তনের পরামর্শ দেন—
১. ক্যাফেইন ও উত্তেজক পানীয় কমান
চা, কফি, সোডা বা অন্যান্য ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এবং নিকোটিন স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখে। বিশেষ করে বিকেল বা রাতে এগুলো গ্রহণ করলে ঘুমের সময় শরীর পুরোপুরি শিথিল হতে বাধা পেতে পারে।
২. ঘুমের আগে ভারী ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন
নিয়মিত ব্যায়াম ভালো হলেও ঘুমানোর ঠিক আগে কঠোর শারীরিক পরিশ্রম শরীরকে অতিরিক্ত সক্রিয় করে তুলতে পারে। তাই ঘুমের কয়েক ঘণ্টা আগেই ব্যায়াম শেষ করা ভালো।
৩. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ ঘুমের মান কমিয়ে দেয়। মেডিটেশন, হালকা শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন বা ঘুমের আগে বই পড়ার মতো অভ্যাস মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
সাধারণত জীবনযাপনের কিছু পরিবর্তনেই হাইপনিক জার্কের সমস্যা কমে যায়। তবে যদি এটি নিয়মিত ঘুমে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে বা তীব্র আকার ধারণ করে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
ঘুমিয়ে পড়ার সময় হঠাৎ শরীর ঝাঁকুনি দিয়ে ওঠার অভিজ্ঞতা অনেকেরই রয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই ঘটনাকে ‘হাইপনিক জার্ক’ বা ‘হাইপনাগোগিক জার্ক’ বলা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের শুরুতে শরীরের পেশি শিথিল হওয়ার সময় মস্তিষ্কের সাময়িক বিভ্রান্তির কারণে হঠাৎ পেশির সংকোচন ঘটে। তখন মনে হয় শরীর যেন আচমকা লাফিয়ে উঠছে বা কেঁপে উঠছে।
এটি সাধারণত ক্ষতিকর নয়। তবে ঘন ঘন হলে ঘুমের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হতে পারে।
ঘুমের এই সমস্যা কমাতে চিকিৎসকরা কয়েকটি অভ্যাস পরিবর্তনের পরামর্শ দেন—
১. ক্যাফেইন ও উত্তেজক পানীয় কমান
চা, কফি, সোডা বা অন্যান্য ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এবং নিকোটিন স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখে। বিশেষ করে বিকেল বা রাতে এগুলো গ্রহণ করলে ঘুমের সময় শরীর পুরোপুরি শিথিল হতে বাধা পেতে পারে।
২. ঘুমের আগে ভারী ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন
নিয়মিত ব্যায়াম ভালো হলেও ঘুমানোর ঠিক আগে কঠোর শারীরিক পরিশ্রম শরীরকে অতিরিক্ত সক্রিয় করে তুলতে পারে। তাই ঘুমের কয়েক ঘণ্টা আগেই ব্যায়াম শেষ করা ভালো।
৩. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ ঘুমের মান কমিয়ে দেয়। মেডিটেশন, হালকা শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন বা ঘুমের আগে বই পড়ার মতো অভ্যাস মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
সাধারণত জীবনযাপনের কিছু পরিবর্তনেই হাইপনিক জার্কের সমস্যা কমে যায়। তবে যদি এটি নিয়মিত ঘুমে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে বা তীব্র আকার ধারণ করে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
