মার্কারি বা পারদ একটি প্রাকৃতিক ধাতু, যা অল্প পরিমাণে পরিবেশে থাকে। তবে শরীরে অতিরিক্ত পরিমাণে মার্কারি জমলে তা বিষক্রিয়ার কারণ হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি মস্তিষ্ক, স্নায়ুতন্ত্র, কিডনি ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশি মার্কারি থাকা মাছ ও সামুদ্রিক খাবার নিয়মিত খাওয়া, শিল্পকারখানায় কাজের সময় সংস্পর্শে আসা কিংবা পারদের বাষ্প শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণের কারণে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
মার্কারির ক্ষতিকর প্রভাব বেশি দেখা দিতে পারে—
মার্কারির ধরন ও সংস্পর্শের মাত্রার ওপর লক্ষণ নির্ভর করে। সাধারণ লক্ষণগুলো হলো—
সব মাছের মধ্যে মার্কারির পরিমাণ সমান নয়। সাধারণত বড় আকারের ও দীর্ঘজীবী শিকারি মাছের শরীরে বেশি মার্কারি জমে।
যেমন—
তবে ছোট আকারের কম মার্কারি থাকা মাছ পরিমিত পরিমাণে খাওয়া সাধারণত নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়। গর্ভবতী নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে মাছ বাছাইয়ে সতর্কতা প্রয়োজন।
চিকিৎসক রোগীর উপসর্গ, কাজের ধরন ও মার্কারির সংস্পর্শের ইতিহাস জানার পর প্রয়োজন হলে পরীক্ষা দিতে পারেন। এর মধ্যে থাকতে পারে—
মার্কারি বিষক্রিয়ার প্রথম পদক্ষেপ হলো এর উৎস থেকে দূরে থাকা। গুরুতর ক্ষেত্রে হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে শরীর থেকে মার্কারি বের করতে কিলেশন থেরাপি ব্যবহার করা হয়। তবে এটি শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া উচিত।
মার্কারির সংস্পর্শের পর নিচের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন—
মার্কারি বিষক্রিয়া খুব সাধারণ না হলেও এটি গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস, কর্মক্ষেত্রে সতর্কতা এবং সময়মতো চিকিৎসা নেওয়ার মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
মার্কারি বা পারদ একটি প্রাকৃতিক ধাতু, যা অল্প পরিমাণে পরিবেশে থাকে। তবে শরীরে অতিরিক্ত পরিমাণে মার্কারি জমলে তা বিষক্রিয়ার কারণ হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি মস্তিষ্ক, স্নায়ুতন্ত্র, কিডনি ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশি মার্কারি থাকা মাছ ও সামুদ্রিক খাবার নিয়মিত খাওয়া, শিল্পকারখানায় কাজের সময় সংস্পর্শে আসা কিংবা পারদের বাষ্প শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণের কারণে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
মার্কারির ক্ষতিকর প্রভাব বেশি দেখা দিতে পারে—
মার্কারির ধরন ও সংস্পর্শের মাত্রার ওপর লক্ষণ নির্ভর করে। সাধারণ লক্ষণগুলো হলো—
সব মাছের মধ্যে মার্কারির পরিমাণ সমান নয়। সাধারণত বড় আকারের ও দীর্ঘজীবী শিকারি মাছের শরীরে বেশি মার্কারি জমে।
যেমন—
তবে ছোট আকারের কম মার্কারি থাকা মাছ পরিমিত পরিমাণে খাওয়া সাধারণত নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়। গর্ভবতী নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে মাছ বাছাইয়ে সতর্কতা প্রয়োজন।
চিকিৎসক রোগীর উপসর্গ, কাজের ধরন ও মার্কারির সংস্পর্শের ইতিহাস জানার পর প্রয়োজন হলে পরীক্ষা দিতে পারেন। এর মধ্যে থাকতে পারে—
মার্কারি বিষক্রিয়ার প্রথম পদক্ষেপ হলো এর উৎস থেকে দূরে থাকা। গুরুতর ক্ষেত্রে হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে শরীর থেকে মার্কারি বের করতে কিলেশন থেরাপি ব্যবহার করা হয়। তবে এটি শুধুমাত্র চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া উচিত।
মার্কারির সংস্পর্শের পর নিচের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন—
মার্কারি বিষক্রিয়া খুব সাধারণ না হলেও এটি গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নিরাপদ খাদ্যাভ্যাস, কর্মক্ষেত্রে সতর্কতা এবং সময়মতো চিকিৎসা নেওয়ার মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
