গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার পানি শাখার পাম্প অপারেটর জামাল শেখকে ঘিরে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় ৮ মিনিটের একটি ভিডিও কয়েকদিন আগে সুভ দা নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করা হয়। পরে ভিডিওটি সরিয়ে ফেলা হলেও সেটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মচারী জানান, ভিডিও প্রকাশের পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তীব্র আলোচনা চলছে। তিনি দাবি করেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কর্মচারী বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ করছেন।
ভিডিওতে থাকা নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টিও সামনে এসেছে। পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় ওই নারীর দাম্পত্য জীবন ভেঙে গেছে এবং তারা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অন্যদিকে পাম্প অপারেটর জামাল শেখ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভিডিওটি পুরোনো এবং তাকে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করা হয়েছে। বর্তমানে ওই নারী অন্যত্র সংসার করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া পৌর প্রশাসক জহিরুল আলম বলেন, ঘটনাটি তার নজরে এসেছে এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি আইয়ুব আলী জানান, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার পানি শাখার পাম্প অপারেটর জামাল শেখকে ঘিরে একটি ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, প্রায় ৮ মিনিটের একটি ভিডিও কয়েকদিন আগে সুভ দা নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করা হয়। পরে ভিডিওটি সরিয়ে ফেলা হলেও সেটি বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মচারী জানান, ভিডিও প্রকাশের পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তীব্র আলোচনা চলছে। তিনি দাবি করেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কর্মচারী বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ করছেন।
ভিডিওতে থাকা নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিষয়টিও সামনে এসেছে। পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় ওই নারীর দাম্পত্য জীবন ভেঙে গেছে এবং তারা আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অন্যদিকে পাম্প অপারেটর জামাল শেখ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভিডিওটি পুরোনো এবং তাকে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করা হয়েছে। বর্তমানে ওই নারী অন্যত্র সংসার করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া পৌর প্রশাসক জহিরুল আলম বলেন, ঘটনাটি তার নজরে এসেছে এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি আইয়ুব আলী জানান, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
