কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট এলাকায় এক তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, বিশ্বকাপ ফুটবলে ব্রাজিলের পরাজয়ের পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
নিহত রতন (১৯) ওই এলাকার হোসেন মিস্ত্রীর সেজো ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে ব্রাজিলের পরাজয়ের পর রতন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। পরদিন সকালে দীর্ঘ সময় তার কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরের জানালা দিয়ে উঁকি দিলে তাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে দরজা ভেঙে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে কুমারখালী থানার তদন্ত কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের আবেদন জানানো হলে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পরিবার ও স্থানীয়রা ব্রাজিলের পরাজয়ের পর মানসিক আঘাতের কথা বললেও, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের ঘোড়াইঘাট এলাকায় এক তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, বিশ্বকাপ ফুটবলে ব্রাজিলের পরাজয়ের পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
নিহত রতন (১৯) ওই এলাকার হোসেন মিস্ত্রীর সেজো ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে ব্রাজিলের পরাজয়ের পর রতন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। পরদিন সকালে দীর্ঘ সময় তার কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরের জানালা দিয়ে উঁকি দিলে তাকে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে দরজা ভেঙে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে কুমারখালী থানার তদন্ত কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের আবেদন জানানো হলে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পরিবার ও স্থানীয়রা ব্রাজিলের পরাজয়ের পর মানসিক আঘাতের কথা বললেও, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
