বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

নির্ধারিত ১৫ টাকার বদলে নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা

ঈদের ছয় দিন পরও বাড়তি ভাড়া, ভোগান্তিতে মাধবপুরের যাত্রীরা

ঈদের ছয় দিন পরও বাড়তি ভাড়া, ভোগান্তিতে মাধবপুরের যাত্রীরা
ছবি : চেকপোস্ট

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন বাজার থেকে রতনপুর সড়কে চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকশাগুলোতে ঈদ উপলক্ষে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ঈদের ছয় দিন পার হলেও এখনো যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছাতিয়াইন বাজার থেকে রতনপুর পর্যন্ত সিএনজির নির্ধারিত ভাড়া দীর্ঘদিন ধরে ১৫ টাকা ছিল। তবে ঈদকে কেন্দ্র করে ভাড়া ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০ টাকা করা হয়। ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পরও সেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় অব্যাহত রয়েছে।

ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, প্রতিদিন এ রুটে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীরা অতিরিক্ত ভাড়া পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে জনদুর্ভোগ বাড়ছে এবং নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

একজন সিএনজি চালকের কাছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ঈদ ভাড়া হিসেবে ৫ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।”

তবে যাত্রীদের প্রশ্ন, ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পরও কেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনীয় তদন্ত করা হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসী ও যাত্রীসাধারণ দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে নির্ধারিত ভাড়ায় গণপরিবহন চলাচল নিশ্চিত করা যায় এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর হয়।

#মাধবপুর #জনদুর্ভোগ #সিএনজি_ভাড়া

চেকপোস্ট

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬


ঈদের ছয় দিন পরও বাড়তি ভাড়া, ভোগান্তিতে মাধবপুরের যাত্রীরা

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬

featured Image

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন বাজার থেকে রতনপুর সড়কে চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকশাগুলোতে ঈদ উপলক্ষে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ঈদের ছয় দিন পার হলেও এখনো যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছাতিয়াইন বাজার থেকে রতনপুর পর্যন্ত সিএনজির নির্ধারিত ভাড়া দীর্ঘদিন ধরে ১৫ টাকা ছিল। তবে ঈদকে কেন্দ্র করে ভাড়া ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০ টাকা করা হয়। ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পরও সেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় অব্যাহত রয়েছে।

ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, প্রতিদিন এ রুটে চলাচলকারী সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীরা অতিরিক্ত ভাড়া পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে জনদুর্ভোগ বাড়ছে এবং নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

একজন সিএনজি চালকের কাছে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ঈদ ভাড়া হিসেবে ৫ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।”

তবে যাত্রীদের প্রশ্ন, ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পরও কেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে প্রয়োজনীয় তদন্ত করা হবে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসী ও যাত্রীসাধারণ দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে নির্ধারিত ভাড়ায় গণপরিবহন চলাচল নিশ্চিত করা যায় এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর হয়।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত