সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

২০০৯ সালে ঘটে হত্যাকাণ্ড

জয়পুরহাটে ছোট ভাইকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যা: বড় ভাইয়ের যাবজ্জীবন

জয়পুরহাটে ছোট ভাইকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যা: বড় ভাইয়ের যাবজ্জীবন
ছবি : চেকপোস্ট

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আপন ছোট ভাইকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার মামলায় অশোক কুমার দাস নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. তসরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে অশোক কুমার দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত অশোক কুমার দাস জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার দমদমা গ্রামের ফনিন্দ্রনাথ দাসের ছেলে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ফনিন্দ্রনাথ দাসের ছোট ছেলে সিদ্ধেশ্বর পেশায় লোহার কর্মকার ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে বড় ভাই অশোকের সঙ্গে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল।

২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর দুপুরে কামারশালার কাজ শেষে দোকানের সামনে বেঞ্চে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন সিদ্ধেশ্বর। এ সময় অশোক এসে দোকানের ভারী হাতুড়ি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১০ সালের ২৯ মার্চ সিদ্ধেশ্বর মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী কামনা রানী বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

#জয়পুরহাট #আদালতেররায় #হত্যামামলাররায়

চেকপোস্ট

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬


জয়পুরহাটে ছোট ভাইকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যা: বড় ভাইয়ের যাবজ্জীবন

প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আপন ছোট ভাইকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার মামলায় অশোক কুমার দাস নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে জয়পুরহাটের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. তসরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে অশোক কুমার দাসকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

দণ্ডপ্রাপ্ত অশোক কুমার দাস জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার দমদমা গ্রামের ফনিন্দ্রনাথ দাসের ছেলে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ফনিন্দ্রনাথ দাসের ছোট ছেলে সিদ্ধেশ্বর পেশায় লোহার কর্মকার ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে বড় ভাই অশোকের সঙ্গে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল।

২০০৯ সালের ১৬ নভেম্বর দুপুরে কামারশালার কাজ শেষে দোকানের সামনে বেঞ্চে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন সিদ্ধেশ্বর। এ সময় অশোক এসে দোকানের ভারী হাতুড়ি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১০ সালের ২৯ মার্চ সিদ্ধেশ্বর মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী কামনা রানী বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত