ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরন্তি হাওর এলাকায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ব্যাপক বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে। ইনসুলেটর ক্র্যাক হয়ে ফ্ল্যাশিং হওয়ার ঘটনায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কুন্ডা ডিএস (ডিসকানেক্ট সুইচ) কেটে ট্রায়াল পরিচালনার সময় সঞ্চালন লাইনে ফ্ল্যাশিং ধরা পড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লাইনের কোনো একটি ইনসুলেটর ক্ষতিগ্রস্ত বা ক্র্যাক হওয়ার কারণেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে ত্রুটির সুনির্দিষ্ট স্থান শনাক্ত করতে কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে ত্রুটিপূর্ণ স্থানটি ধরন্তি হাওরের মাঝামাঝি এলাকায় হওয়ায় মেরামত কাজে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে নৌকার প্রয়োজন হলেও এখনো উপযুক্ত নৌযানের ব্যবস্থা করা যায়নি। কারিগরি দল নৌকার সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নৌযান পাওয়া মাত্রই প্রকৌশলী ও কারিগরি কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ত্রুটি শনাক্ত এবং মেরামতের কাজ শুরু করবেন।
দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় নাসিরনগরের বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকরা দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ত্রুটি শনাক্ত ও মেরামত শেষ হলেই পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার ধরন্তি হাওর এলাকায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ব্যাপক বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে। ইনসুলেটর ক্র্যাক হয়ে ফ্ল্যাশিং হওয়ার ঘটনায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, কুন্ডা ডিএস (ডিসকানেক্ট সুইচ) কেটে ট্রায়াল পরিচালনার সময় সঞ্চালন লাইনে ফ্ল্যাশিং ধরা পড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, লাইনের কোনো একটি ইনসুলেটর ক্ষতিগ্রস্ত বা ক্র্যাক হওয়ার কারণেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। তবে ত্রুটির সুনির্দিষ্ট স্থান শনাক্ত করতে কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে ত্রুটিপূর্ণ স্থানটি ধরন্তি হাওরের মাঝামাঝি এলাকায় হওয়ায় মেরামত কাজে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে নৌকার প্রয়োজন হলেও এখনো উপযুক্ত নৌযানের ব্যবস্থা করা যায়নি। কারিগরি দল নৌকার সন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নৌযান পাওয়া মাত্রই প্রকৌশলী ও কারিগরি কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ত্রুটি শনাক্ত এবং মেরামতের কাজ শুরু করবেন।
দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় নাসিরনগরের বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকরা দুর্ভোগে পড়েছেন। বিশেষ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ত্রুটি শনাক্ত ও মেরামত শেষ হলেই পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হবে।
