চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

রংপুর-১ আসনে নির্বাচন থেকে বাদ পড়া ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফল’-জাপা প্রার্থী

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
রংপুর-১ আসনে নির্বাচন থেকে বাদ পড়া ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফল’-জাপা প্রার্থী

রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে না পারার ঘটনাকে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিকার’ বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থী। তিনি বলেন, ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করে পরিকল্পিতভাবে তাকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি সামান্য টাইপোগ্রাফিক ত্রুটির কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার প্রার্থিতা বাতিল করেন। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিলের মাধ্যমে প্রার্থিতা ফিরে পেলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। সেই রিটের একতরফা রায়ের মাধ্যমে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, “যাদের শক্তি আছে তারা ভোটের মাঠে লড়াই করুক। আদালত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে কাউকে হারানো গণতান্ত্রিক দেশে অগণতান্ত্রিক আচরণ।”

গংগাচড়াবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ, সংগ্রাম ও তিস্তা নদীর সঙ্গে তার জীবন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রবাস জীবনের উপার্জন দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, চিকিৎসা, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজে সহায়তা করে আসছেন বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “আমি হারতে আসিনি, মানুষকে ছেড়ে যেতেও আসিনি। থেমে যাওয়াই শেষ নয়—থেমে থাকার সিদ্ধান্তটাই পরাজয়।”

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


রংপুর-১ আসনে নির্বাচন থেকে বাদ পড়া ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফল’-জাপা প্রার্থী

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

রংপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে না পারার ঘটনাকে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিকার’ বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থী। তিনি বলেন, ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করে পরিকল্পিতভাবে তাকে নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

প্রার্থী অভিযোগ করে বলেন, সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশের পর থেকেই তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। গত ১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে একটি সামান্য টাইপোগ্রাফিক ত্রুটির কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার প্রার্থিতা বাতিল করেন। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিলের মাধ্যমে প্রার্থিতা ফিরে পেলেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। সেই রিটের একতরফা রায়ের মাধ্যমে তাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, “যাদের শক্তি আছে তারা ভোটের মাঠে লড়াই করুক। আদালত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে কাউকে হারানো গণতান্ত্রিক দেশে অগণতান্ত্রিক আচরণ।”

গংগাচড়াবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ, সংগ্রাম ও তিস্তা নদীর সঙ্গে তার জীবন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রবাস জীবনের উপার্জন দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, চিকিৎসা, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজে সহায়তা করে আসছেন বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “আমি হারতে আসিনি, মানুষকে ছেড়ে যেতেও আসিনি। থেমে যাওয়াই শেষ নয়—থেমে থাকার সিদ্ধান্তটাই পরাজয়।”


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত