চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ফেসবুক প্রেমের টানে ছেলের বাড়িতে অনশন, শেষ পর্যন্ত বিয়েতে সম্মতি

প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ফেসবুক প্রেমের টানে ছেলের বাড়িতে অনশন, শেষ পর্যন্ত বিয়েতে সম্মতি
  ফেসবুক ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রচার হওয়ার পর অবশেষে প্রেমিক ও প্রেমিকার বিয়ের বিষয়ে সমাধানের পথে এগিয়েছে দুই পরিবার। দিনাজপুর সদর উপজেলার ২ নম্বর সুন্দরপুর ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে ছেলের বাড়িতে অনশন করা এক তরুণীর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর সদর উপজেলার ২ নম্বর সুন্দরপুর ইউনিয়নের আমইর গ্রামের মোঃ আব্দুস সালামের ছেলে নাসিম ইসলামের সঙ্গে নীলফামারী উপজেলার এক তরুণীর দীর্ঘ প্রায় ৪–৫ বছর ধরে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের একপর্যায়ে বিয়ের দাবিতে গত মঙ্গলবার (গতকাল) দুপুর ১২টার দিকে নীলফামারী উপজেলা থেকে দিনাজপুরের আমইর গ্রামে প্রেমিকের বাড়িতে এসে অবস্থান নেন ওই তরুণী। ভুক্তভোগী তরুণী জানান, দীর্ঘ চার বছর ধরে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও গোপন সম্পর্ক ছিল। বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা ছাড়াও পারিবারিক পরিবেশে কথাবার্তা হতো। তবে কয়েকদিন আগে প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারায় গত শুক্রবার প্রথমবার ছেলের বাড়িতে আসেন তিনি। সে সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ভোটের পর ১৫ তারিখে পারিবারিকভাবে আলোচনার আশ্বাস দিয়ে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরবর্তীতে আবারও প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে মঙ্গলবার পুনরায় ছেলের বাড়িতে আসেন তরুণী। এ সময় তিনি স্থানীয়দের কাছে চার বছরের প্রেমের সম্পর্কের কথা প্রকাশ করেন এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বাড়ির বাইরে রাত যাপনের ঘোষণা দেন। বুধবার সকালে পার্শ্ববর্তী ছেলের দাদি তাকে বাড়িতে আশ্রয় দেন। তরুণী স্পষ্ট করে জানান, বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তিনি ছেলের বাড়িতে অনশন চালিয়ে যাবেন। এ বিষয়ে ছেলের বাবা মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, কিছুদিন আগে ছেলের সঙ্গে একটি মেয়ের মোবাইল যোগাযোগের কথা জানতে পারি। মেয়েটি হঠাৎ বাড়িতে এসে সম্পর্কের কথা জানালে তাকে ভোটের পর উভয় পক্ষ বসে আলোচনার আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে দ্বিতীয়বার এসে মেয়েটি বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করলে বিষয়টি নিয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান, ছেলে ও মেয়ের উভয়ের বয়স প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় সিদ্ধান্ত তাদের নিজস্ব। উভয় পক্ষ সম্মত হলে পরবর্তীতে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা যেতে পারে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার পাওয়ার পর স্থানীয়ভাবে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং শেষ পর্যন্ত বিয়ের বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সম্মতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ফেসবুক প্রেমের টানে ছেলের বাড়িতে অনশন, শেষ পর্যন্ত বিয়েতে সম্মতি

প্রকাশের তারিখ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image
  ফেসবুক ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রচার হওয়ার পর অবশেষে প্রেমিক ও প্রেমিকার বিয়ের বিষয়ে সমাধানের পথে এগিয়েছে দুই পরিবার। দিনাজপুর সদর উপজেলার ২ নম্বর সুন্দরপুর ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে ছেলের বাড়িতে অনশন করা এক তরুণীর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর সদর উপজেলার ২ নম্বর সুন্দরপুর ইউনিয়নের আমইর গ্রামের মোঃ আব্দুস সালামের ছেলে নাসিম ইসলামের সঙ্গে নীলফামারী উপজেলার এক তরুণীর দীর্ঘ প্রায় ৪–৫ বছর ধরে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্কের একপর্যায়ে বিয়ের দাবিতে গত মঙ্গলবার (গতকাল) দুপুর ১২টার দিকে নীলফামারী উপজেলা থেকে দিনাজপুরের আমইর গ্রামে প্রেমিকের বাড়িতে এসে অবস্থান নেন ওই তরুণী। ভুক্তভোগী তরুণী জানান, দীর্ঘ চার বছর ধরে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও গোপন সম্পর্ক ছিল। বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা ছাড়াও পারিবারিক পরিবেশে কথাবার্তা হতো। তবে কয়েকদিন আগে প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারায় গত শুক্রবার প্রথমবার ছেলের বাড়িতে আসেন তিনি। সে সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ভোটের পর ১৫ তারিখে পারিবারিকভাবে আলোচনার আশ্বাস দিয়ে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। পরবর্তীতে আবারও প্রেমিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে মঙ্গলবার পুনরায় ছেলের বাড়িতে আসেন তরুণী। এ সময় তিনি স্থানীয়দের কাছে চার বছরের প্রেমের সম্পর্কের কথা প্রকাশ করেন এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বাড়ির বাইরে রাত যাপনের ঘোষণা দেন। বুধবার সকালে পার্শ্ববর্তী ছেলের দাদি তাকে বাড়িতে আশ্রয় দেন। তরুণী স্পষ্ট করে জানান, বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত তিনি ছেলের বাড়িতে অনশন চালিয়ে যাবেন। এ বিষয়ে ছেলের বাবা মোঃ আব্দুস সালাম বলেন, কিছুদিন আগে ছেলের সঙ্গে একটি মেয়ের মোবাইল যোগাযোগের কথা জানতে পারি। মেয়েটি হঠাৎ বাড়িতে এসে সম্পর্কের কথা জানালে তাকে ভোটের পর উভয় পক্ষ বসে আলোচনার আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে দ্বিতীয়বার এসে মেয়েটি বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করলে বিষয়টি নিয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানান, ছেলে ও মেয়ের উভয়ের বয়স প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় সিদ্ধান্ত তাদের নিজস্ব। উভয় পক্ষ সম্মত হলে পরবর্তীতে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা যেতে পারে। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচার পাওয়ার পর স্থানীয়ভাবে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং শেষ পর্যন্ত বিয়ের বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সম্মতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত