চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

খুলনা ডুমুরিয়া এলাকার মৃতশিল্পীরা ঝুঁকছে অ

প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
খুলনা ডুমুরিয়া এলাকার মৃতশিল্পীরা ঝুঁকছে অ
বাঙালির প্রানের উৎসব বাংলা নববর্ষ। এদিনকে ঘিরে বিশেষ করে মৃত শিল্পীদের মাটির পন্যের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। তাই এসময় টুকু পালপাড়ায় অনেক ব্যস্ততা থাকার কথা থাকলেও ডুমুরিয়ায় এর ভিন্নতা লক্ষ্যে করা গেছে। উপযুক্ত মাটির অভাব সহ আসবাবপত্রের দাম বৃদ্ধির কারনে ইতিমধ্যে অনেক পালেরা পেশা ছেড়ে অন্য কাজে ঝুকে পড়েছে। যেকারনে ভিন্ন জেলার বাহারি নকশার মাটির পন্যে শোভা পাচ্ছে ডুমুরিয়ায়। জানাযায়, নববর্ষের পন্যে তৈরি নিয়ে তেমন ব্যস্ততা নেই ডুমুরিয়ার মৃত শিল্পিদের। তাদের কারখানা গুলোতে নেই সেই নান্দনিক নকশার মাটির পন্য। তবে ভিন্ন জেলার বাহারি নকশার পন্য জিক জাক করছে ডুমুরিয়ার পালদের দোকানে। মাটির পন্যের মধ্যে রয়েছে পান্তা ইলিশের থালা, রঙিন কলস, মাটির ব্যাংক, বাহারি খেলনা, ফুলদানি, আলমারি, ডিনার সেট, শোপিস ও ঘরোয়া তৈজসপত্র। দোকান গুলোতে ব্যাপক বেচাকেনা শুরু হয়েছে। প্রতিবছর সরকারি - বেসরকারিভাবে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ধুমধামের সাথে বাঙালির ঐতিহ্য গাঁথা এদিনটি উদযাপন হয়ে আসছে। এদিকে বৈশাখীর উপযুক্ত মাটির অভাব ও আসবাবপত্রের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় বাংলা নববর্ষের মেলাকে ঘিরে ডুমুরিয়ার মৃত শিল্পীদের মধ্যে নেই কোন ব্যস্ততা। মাটির পন্যের দোকানে শিশু থেকে শুরু করে সব ধরনের মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ডুমুরিয়া সদর ও রানাই পালপাড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় পালদের বেশ কয়েকটি কারখানা ঘুরে দেখাগেছে, ডুমুরিয়ায় প্রায় ৫/৬ টি কারখানা রয়েছে। সেখানে তৈরি হয় মাটির তৈজসপত্র। কিন্তু উপযুক্ত মাটির অভাবে এসব কারখানা গুলোতে দৃষ্টি নন্দন কোনো পন্যে তৈরি করতে পারছে না মৃত শিল্পীরা। শুধু গতানুগতিক মাটির হাঁড়ি - কলসিসহ কিছু তৈজসপত্র তৈরি করছে। তবে ক্রমান্বয় মাটির তৈরির পন্যের উপর চাহিদা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কারু শিল্পীরা। রানাই গ্রামের সজয় পাল জানান, একটা সময় পালেরা মাটির পন্যে তৈরি করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এখন বাপ- দাদাদের পেশা ছেড়ে এখন অন্য পেশায় ঝুঁকে পড়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের পুজা পার্বন উপলক্ষ্যে পালদের তৈরি পন্যের চাহিদা এখোনোও অনেক আছে। মৃৎশিল্পী রুপক পাল জানান, " এখন আগের চেয়ে মাটির পন্য ক্রয় হচ্ছে। তবে ব্যবসা খুব ভালো যাচ্ছে না। প্লাস্টিক পন্যের কারনে বাজারে মাটির তৈরির পন্যের চাহিদা অনেক কমে গেছে। তবে কিছু মানুষ এ ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে। আবার কেউ পেশা ছেড়ে দিয়েছে। ডুমুরিয়া বারোআনি বাজারের অরুন পাল জানান, " মাটির পন্যের চাহিদা এখন বাড়তে শুরু করেছে। তবে নববর্ষকে ঘিরে দৃষ্টি নন্দন মাটির পন্যে কুষ্টিয়া, পটুয়াখালী, বাউফল, ঝালকাঠি, বরিশাল ও পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকা দেখে ক্রয় করে ডুমুরিয়ায় এনে বিক্রি করছি।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


খুলনা ডুমুরিয়া এলাকার মৃতশিল্পীরা ঝুঁকছে অ

প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image
বাঙালির প্রানের উৎসব বাংলা নববর্ষ। এদিনকে ঘিরে বিশেষ করে মৃত শিল্পীদের মাটির পন্যের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। তাই এসময় টুকু পালপাড়ায় অনেক ব্যস্ততা থাকার কথা থাকলেও ডুমুরিয়ায় এর ভিন্নতা লক্ষ্যে করা গেছে। উপযুক্ত মাটির অভাব সহ আসবাবপত্রের দাম বৃদ্ধির কারনে ইতিমধ্যে অনেক পালেরা পেশা ছেড়ে অন্য কাজে ঝুকে পড়েছে। যেকারনে ভিন্ন জেলার বাহারি নকশার মাটির পন্যে শোভা পাচ্ছে ডুমুরিয়ায়। জানাযায়, নববর্ষের পন্যে তৈরি নিয়ে তেমন ব্যস্ততা নেই ডুমুরিয়ার মৃত শিল্পিদের। তাদের কারখানা গুলোতে নেই সেই নান্দনিক নকশার মাটির পন্য। তবে ভিন্ন জেলার বাহারি নকশার পন্য জিক জাক করছে ডুমুরিয়ার পালদের দোকানে। মাটির পন্যের মধ্যে রয়েছে পান্তা ইলিশের থালা, রঙিন কলস, মাটির ব্যাংক, বাহারি খেলনা, ফুলদানি, আলমারি, ডিনার সেট, শোপিস ও ঘরোয়া তৈজসপত্র। দোকান গুলোতে ব্যাপক বেচাকেনা শুরু হয়েছে। প্রতিবছর সরকারি - বেসরকারিভাবে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ধুমধামের সাথে বাঙালির ঐতিহ্য গাঁথা এদিনটি উদযাপন হয়ে আসছে। এদিকে বৈশাখীর উপযুক্ত মাটির অভাব ও আসবাবপত্রের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় বাংলা নববর্ষের মেলাকে ঘিরে ডুমুরিয়ার মৃত শিল্পীদের মধ্যে নেই কোন ব্যস্ততা। মাটির পন্যের দোকানে শিশু থেকে শুরু করে সব ধরনের মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ডুমুরিয়া সদর ও রানাই পালপাড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় পালদের বেশ কয়েকটি কারখানা ঘুরে দেখাগেছে, ডুমুরিয়ায় প্রায় ৫/৬ টি কারখানা রয়েছে। সেখানে তৈরি হয় মাটির তৈজসপত্র। কিন্তু উপযুক্ত মাটির অভাবে এসব কারখানা গুলোতে দৃষ্টি নন্দন কোনো পন্যে তৈরি করতে পারছে না মৃত শিল্পীরা। শুধু গতানুগতিক মাটির হাঁড়ি - কলসিসহ কিছু তৈজসপত্র তৈরি করছে। তবে ক্রমান্বয় মাটির তৈরির পন্যের উপর চাহিদা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কারু শিল্পীরা। রানাই গ্রামের সজয় পাল জানান, একটা সময় পালেরা মাটির পন্যে তৈরি করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এখন বাপ- দাদাদের পেশা ছেড়ে এখন অন্য পেশায় ঝুঁকে পড়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের পুজা পার্বন উপলক্ষ্যে পালদের তৈরি পন্যের চাহিদা এখোনোও অনেক আছে। মৃৎশিল্পী রুপক পাল জানান, " এখন আগের চেয়ে মাটির পন্য ক্রয় হচ্ছে। তবে ব্যবসা খুব ভালো যাচ্ছে না। প্লাস্টিক পন্যের কারনে বাজারে মাটির তৈরির পন্যের চাহিদা অনেক কমে গেছে। তবে কিছু মানুষ এ ঐতিহ্যকে ধরে রেখেছে। আবার কেউ পেশা ছেড়ে দিয়েছে। ডুমুরিয়া বারোআনি বাজারের অরুন পাল জানান, " মাটির পন্যের চাহিদা এখন বাড়তে শুরু করেছে। তবে নববর্ষকে ঘিরে দৃষ্টি নন্দন মাটির পন্যে কুষ্টিয়া, পটুয়াখালী, বাউফল, ঝালকাঠি, বরিশাল ও পিরোজপুরসহ বিভিন্ন এলাকা দেখে ক্রয় করে ডুমুরিয়ায় এনে বিক্রি করছি।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত