আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকতে না পেরে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছে এমন মন্তব্য করে বিএনপিকে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘বিএনপি পালিয়ে কোথায় আশ্রয় নেবে?’
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রংপুর মহানগরীর শাপলা চত্বরে দলীয় কার্যালয়ে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি। তার দাবি, দলটি ক্ষমতার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করেও শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি এবং দেশ ছেড়ে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এরা (বিএনপি) পালিয়ে কোথায় আশ্রয় নেবে?’ একই সঙ্গে সরকারের প্রতি জনগণের বক্তব্য ও আকাঙ্ক্ষার দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের প্রতি আগামী সংসদে সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া অথবা ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কারের আহ্বান জানান জামায়াতের এই নেতা।
নয়া দিগন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিগুলো তুলে ধরা হয়েছে। এর সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিও যুক্ত করা হয়েছে।
তার অভিযোগ, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয়করণ এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নেও তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
নয়া দিগন্তের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে লংমার্চ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং রংপুর জিলা স্কুল মাঠে বিকেলে সমাপনী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকতে না পেরে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছে এমন মন্তব্য করে বিএনপিকে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘বিএনপি পালিয়ে কোথায় আশ্রয় নেবে?’
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রংপুর মহানগরীর শাপলা চত্বরে দলীয় কার্যালয়ে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি। তার দাবি, দলটি ক্ষমতার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করেও শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি এবং দেশ ছেড়ে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এরা (বিএনপি) পালিয়ে কোথায় আশ্রয় নেবে?’ একই সঙ্গে সরকারের প্রতি জনগণের বক্তব্য ও আকাঙ্ক্ষার দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের প্রতি আগামী সংসদে সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া অথবা ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কারের আহ্বান জানান জামায়াতের এই নেতা।
নয়া দিগন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিগুলো তুলে ধরা হয়েছে। এর সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিও যুক্ত করা হয়েছে।
তার অভিযোগ, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয়করণ এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নেও তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
নয়া দিগন্তের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে লংমার্চ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং রংপুর জিলা স্কুল মাঠে বিকেলে সমাপনী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।
