শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

লংমার্চ ঘিরে সরকারের প্রতি কড়া বার্তা

‘আওয়ামী লীগ আশ্রয় নিয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশে, বিএনপি কোথায় নেবে’: আজহার

‘আওয়ামী লীগ আশ্রয় নিয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশে, বিএনপি কোথায় নেবে’: আজহার
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকতে না পেরে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছে এমন মন্তব্য করে বিএনপিকে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘বিএনপি পালিয়ে কোথায় আশ্রয় নেবে?’

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রংপুর মহানগরীর শাপলা চত্বরে দলীয় কার্যালয়ে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি। তার দাবি, দলটি ক্ষমতার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করেও শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি এবং দেশ ছেড়ে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এরা (বিএনপি) পালিয়ে কোথায় আশ্রয় নেবে?’ একই সঙ্গে সরকারের প্রতি জনগণের বক্তব্য ও আকাঙ্ক্ষার দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে আজহারুল ইসলাম বলেন, আগের সরকারের মতো ছাত্র আন্দোলনকে অবহেলা করলে বর্তমান সরকারও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সরকারের প্রতি আগামী সংসদে সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া অথবা ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কারের আহ্বান জানান জামায়াতের এই নেতা।

দেশবাসীর প্রতি লংমার্চের দাবিগুলোর প্রতি সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এসব দাবি শুধু জামায়াতের নয়, জনগণেরও দাবি। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সফল করার জন্য জনগণের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করেন তিনি।

নয়া দিগন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিগুলো তুলে ধরা হয়েছে। এর সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিও যুক্ত করা হয়েছে।

এ টি এম আজহারুল ইসলাম অভিযোগ করেন, কৃষকেরা সার না পেয়ে বিক্ষোভ করছেন। একই সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তার অভিযোগ, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয়করণ এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নেও তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি হিসেবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়টিও তুলে ধরেন আজহারুল ইসলাম। ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে এ দাবিকে যুক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

নয়া দিগন্তের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে লংমার্চ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং রংপুর জিলা স্কুল মাঠে বিকেলে সমাপনী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

#জামায়াত #লংমার্চ #এটিএমআজহার

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‘আওয়ামী লীগ আশ্রয় নিয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশে, বিএনপি কোথায় নেবে’: আজহার

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকে থাকতে না পেরে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছে এমন মন্তব্য করে বিএনপিকে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও রংপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘বিএনপি পালিয়ে কোথায় আশ্রয় নেবে?’

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রংপুর মহানগরীর শাপলা চত্বরে দলীয় কার্যালয়ে ঢাকা-রংপুর লংমার্চ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেনি। তার দাবি, দলটি ক্ষমতার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করেও শেষ পর্যন্ত ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি এবং দেশ ছেড়ে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এরা (বিএনপি) পালিয়ে কোথায় আশ্রয় নেবে?’ একই সঙ্গে সরকারের প্রতি জনগণের বক্তব্য ও আকাঙ্ক্ষার দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে আজহারুল ইসলাম বলেন, আগের সরকারের মতো ছাত্র আন্দোলনকে অবহেলা করলে বর্তমান সরকারও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সরকারের প্রতি আগামী সংসদে সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া অথবা ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কারের আহ্বান জানান জামায়াতের এই নেতা।

দেশবাসীর প্রতি লংমার্চের দাবিগুলোর প্রতি সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এসব দাবি শুধু জামায়াতের নয়, জনগণেরও দাবি। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সফল করার জন্য জনগণের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করেন তিনি।

নয়া দিগন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, দলীয়করণ বন্ধ এবং দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিগুলো তুলে ধরা হয়েছে। এর সঙ্গে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিও যুক্ত করা হয়েছে।

এ টি এম আজহারুল ইসলাম অভিযোগ করেন, কৃষকেরা সার না পেয়ে বিক্ষোভ করছেন। একই সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তার অভিযোগ, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয়করণ এবং বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নেও তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি হিসেবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়টিও তুলে ধরেন আজহারুল ইসলাম। ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চে এ দাবিকে যুক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

নয়া দিগন্তের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে লংমার্চ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে এবং রংপুর জিলা স্কুল মাঠে বিকেলে সমাপনী সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত