সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বিস্কুট দেওয়ার কথা বলে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক কিশোরের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের রহমতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে শিশুটির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
শিশুটির চাচা ও পুলিশ সূত্র জানায়, আসরের নামাজের পর বাড়ির পাশের রাস্তায় খেলছিল শিশুটি। এ সময় রহমতপুর গ্রামের আজিজ মিয়ার কিশোর ছেলে লাকিব মিয়া বিস্কুট দেওয়ার কথা বলে তাকে একটি খালি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে দরজা বন্ধ করে শিশুটির ওপর জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
একপর্যায়ে শিশুটির চিৎকার ও কান্নার শব্দ শুনে অভিযুক্ত দরজা খুলে পালিয়ে যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠান।
শিশুটির চাচা জানান, শিশুটির প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং সে বারবার আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে। পরে রাতে তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়।
তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফারুক আহমদ বলেন, রাতে শিশুটিকে থানায় আনা হয়েছিল। তার রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। পরে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।
এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় বিস্কুট দেওয়ার কথা বলে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক কিশোরের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের রহমতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে শিশুটির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
শিশুটির চাচা ও পুলিশ সূত্র জানায়, আসরের নামাজের পর বাড়ির পাশের রাস্তায় খেলছিল শিশুটি। এ সময় রহমতপুর গ্রামের আজিজ মিয়ার কিশোর ছেলে লাকিব মিয়া বিস্কুট দেওয়ার কথা বলে তাকে একটি খালি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে দরজা বন্ধ করে শিশুটির ওপর জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
একপর্যায়ে শিশুটির চিৎকার ও কান্নার শব্দ শুনে অভিযুক্ত দরজা খুলে পালিয়ে যায় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠান।
শিশুটির চাচা জানান, শিশুটির প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং সে বারবার আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে। পরে রাতে তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়।
তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফারুক আহমদ বলেন, রাতে শিশুটিকে থানায় আনা হয়েছিল। তার রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। পরে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।
এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
