ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জেলার নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৭ সেপ্টেম্বরের ডেঙ্গু ড্যাশবোর্ডেও সারাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য চাপের তথ্য রয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে প্রায় ১৪ থেকে ১৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ৭ জন নতুন রোগী ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।
জেলায় বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বেড়েছে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ঝালকাঠিতে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৯৪৫ জন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।
হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যার হিসাবে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ৫৫ জন, রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৮ জন, নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৫ জন এবং কাঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন রোগী রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানান, হঠাৎ রোগীর চাপ বাড়ায় চিকিৎসাসেবা দিতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাড়ির আশপাশের ফুলের টব, ডাবের খোসা, ভাঙা প্লাস্টিকের পাত্র, পরিত্যক্ত টায়ারসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে বাড়ির চারপাশের ময়লা-আবর্জনা ও ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখা, ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মশকনিধন কার্যক্রম জোরদারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহল ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মশক নিধন অভিযান জোরদার করার পাশাপাশি নাগরিকদের নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। জেলার নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৭ সেপ্টেম্বরের ডেঙ্গু ড্যাশবোর্ডেও সারাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য চাপের তথ্য রয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে প্রায় ১৪ থেকে ১৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ৭ জন নতুন রোগী ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।
জেলায় বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চাপ বেড়েছে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ঝালকাঠিতে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৯৪৫ জন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।
হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যার হিসাবে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ৫৫ জন, রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৮ জন, নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৫ জন এবং কাঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন রোগী রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানান, হঠাৎ রোগীর চাপ বাড়ায় চিকিৎসাসেবা দিতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এডিস মশা সাধারণত জমে থাকা পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাড়ির আশপাশের ফুলের টব, ডাবের খোসা, ভাঙা প্লাস্টিকের পাত্র, পরিত্যক্ত টায়ারসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে বাড়ির চারপাশের ময়লা-আবর্জনা ও ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখা, ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মশকনিধন কার্যক্রম জোরদারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহল ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মশক নিধন অভিযান জোরদার করার পাশাপাশি নাগরিকদের নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
