হার্ট ভালো রাখতে শুধু তেল-চর্বি কম খাওয়া বা নিয়মিত হাঁটাই যথেষ্ট নয়। দৈনন্দিন জীবনের আরও কিছু অভ্যাস হৃদ্স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। দিনের বেশির ভাগ সময় বসে থাকা, অতিরিক্ত লবণ ও চিনি খাওয়া, ধূমপান, অনিয়মিত ঘুম, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ এবং রক্তচাপ-কোলেস্টেরল পরীক্ষা না করার মতো বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার।
অনেক ক্ষেত্রেই এসব ঝুঁকির কোনো স্পষ্ট লক্ষণ শুরুতে দেখা যায় না। তাই সুস্থ থাকতেই জীবনযাপনের কিছু অভ্যাস খেয়াল করা জরুরি।
নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি একটানা বসে থাকার সময় কমানোও গুরুত্বপূর্ণ। হাঁটা, সিঁড়ি ব্যবহার বা কয়েক মিনিটের হালকা স্ট্রেচিংয়ের মতো ছোট ছোট নড়াচড়া দৈনন্দিন রুটিনে যোগ করা যেতে পারে।
শুধু রান্নার লবণ নয়, নুডলস, চিপস, সস, প্রক্রিয়াজাত মাংসসহ অনেক প্যাকেটজাত খাবারেও সোডিয়াম থাকতে পারে। তাই খাবারের লেবেল দেখে সোডিয়ামের পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।
অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিবর্তে মাছ, বাদাম, বীজ ও উদ্ভিজ্জ উৎসের আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বেছে নেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানো ভালো।
তাই দিনে অল্প কয়েকটি সিগারেট খেলেও সেটিকে নিরাপদ ধরে নেওয়া ঠিক নয়। ধূমপান বন্ধ করা এবং ধোঁয়ামুক্ত পরিবেশে থাকা হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রতি রাতে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমের লক্ষ্য রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রতিদিন কাছাকাছি সময়ে ঘুমানো এবং ঘুমের আগে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার কমানোও উপকারী হতে পারে।
হাঁটা, ব্যায়াম, শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন, বই পড়া বা পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর মতো স্বাস্থ্যকর উপায়ে চাপ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা যেতে পারে।
বয়স, পারিবারিক ইতিহাস ও ব্যক্তিগত ঝুঁকি অনুযায়ী রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, রক্তে শর্করাসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা ভালো।
প্রতিদিন একটু বেশি হাঁটা, লবণ ও যোগ করা চিনি কমানো, পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা এসব ছোট পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হতে পারে।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হার্ট ভালো রাখতে শুধু তেল-চর্বি কম খাওয়া বা নিয়মিত হাঁটাই যথেষ্ট নয়। দৈনন্দিন জীবনের আরও কিছু অভ্যাস হৃদ্স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। দিনের বেশির ভাগ সময় বসে থাকা, অতিরিক্ত লবণ ও চিনি খাওয়া, ধূমপান, অনিয়মিত ঘুম, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ এবং রক্তচাপ-কোলেস্টেরল পরীক্ষা না করার মতো বিষয়গুলোও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার।
অনেক ক্ষেত্রেই এসব ঝুঁকির কোনো স্পষ্ট লক্ষণ শুরুতে দেখা যায় না। তাই সুস্থ থাকতেই জীবনযাপনের কিছু অভ্যাস খেয়াল করা জরুরি।
নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি একটানা বসে থাকার সময় কমানোও গুরুত্বপূর্ণ। হাঁটা, সিঁড়ি ব্যবহার বা কয়েক মিনিটের হালকা স্ট্রেচিংয়ের মতো ছোট ছোট নড়াচড়া দৈনন্দিন রুটিনে যোগ করা যেতে পারে।
শুধু রান্নার লবণ নয়, নুডলস, চিপস, সস, প্রক্রিয়াজাত মাংসসহ অনেক প্যাকেটজাত খাবারেও সোডিয়াম থাকতে পারে। তাই খাবারের লেবেল দেখে সোডিয়ামের পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।
অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিবর্তে মাছ, বাদাম, বীজ ও উদ্ভিজ্জ উৎসের আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট বেছে নেওয়া যেতে পারে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার কমানো ভালো।
তাই দিনে অল্প কয়েকটি সিগারেট খেলেও সেটিকে নিরাপদ ধরে নেওয়া ঠিক নয়। ধূমপান বন্ধ করা এবং ধোঁয়ামুক্ত পরিবেশে থাকা হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত প্রতি রাতে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমের লক্ষ্য রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রতিদিন কাছাকাছি সময়ে ঘুমানো এবং ঘুমের আগে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার কমানোও উপকারী হতে পারে।
হাঁটা, ব্যায়াম, শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন, বই পড়া বা পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর মতো স্বাস্থ্যকর উপায়ে চাপ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা যেতে পারে।
বয়স, পারিবারিক ইতিহাস ও ব্যক্তিগত ঝুঁকি অনুযায়ী রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, রক্তে শর্করাসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা ভালো।
প্রতিদিন একটু বেশি হাঁটা, লবণ ও যোগ করা চিনি কমানো, পুষ্টিকর খাবার বেছে নেওয়া, পর্যাপ্ত ঘুম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাস্থ্য পরীক্ষা এসব ছোট পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হতে পারে।
