সময় গড়ানোর সঙ্গে সোনার গয়নার উজ্জ্বলতা কমে যাওয়া স্বাভাবিক। নিয়মিত ব্যবহারে ঘাম, ধুলো, সাবান, মেকআপ, লোশন ও অন্যান্য প্রসাধনীর আস্তরণ গয়নার ওপর জমে যায়। ফলে নতুন গয়নার মতো ঝকঝকে ভাব আর থাকে না।
তবে সাধারণ ময়লা বা তেলতেলে আস্তরণ পরিষ্কার করতে সব সময় জুয়েলারির দোকানে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কিছু সহজ উপকরণ ব্যবহার করে বাড়িতেই সোনার গয়না পরিষ্কার করা যায়। তবে ভুল উপকরণ বা অতিরিক্ত ঘষাঘষিতে গয়নায় আঁচড় পড়তে পারে, পালিশ নষ্ট হতে পারে কিংবা রত্নপাথর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এর ফলে গয়নার ওপর পাতলা আস্তরণ তৈরি হয়ে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা কমে যায়।
গয়না পরিষ্কারের সময় খোলা ড্রেনের ওপর কাজ না করাই ভালো। পাত্রে বা বন্ধ ড্রেনের ওপর পরিষ্কার করলে গয়না পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।
বিশেষ করে দামি, পুরোনো বা নকশা করা গয়নায় বেকিং সোডা দিয়ে ঘষা এড়িয়ে চলাই ভালো।
তাই টুথপেস্টের পরিবর্তে মৃদু সাবান ও হালকা গরম পানি ব্যবহার করাই ভালো।
বিশেষ করে মুক্তো ও কিছু নরম বা ছিদ্রযুক্ত রত্ন দীর্ঘ সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখা বা রাসায়নিক দিয়ে পরিষ্কার করা ক্ষতিকর হতে পারে। এমন গয়না হলে নরম কাপড় দিয়ে আলতো করে মুছে নেওয়া ভালো। দামি বা নাজুক গয়না হলে জুয়েলারির পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।
সুইমিং পুল বা হট টাবে যাওয়ার সময়ও গয়না খুলে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
খুব গরম পানি নয়: হালকা গরম পানিই যথেষ্ট।
টুথপেস্ট নয়: গয়নার পৃষ্ঠে সূক্ষ্ম আঁচড় পড়তে পারে।
বেকিং সোডা দিয়ে ঘষবেন না: পালিশ ও নকশা করা গয়নায় ঝুঁকি বাড়তে পারে।
খোলা ড্রেনের ওপর পরিষ্কার করবেন না: হাত থেকে পড়ে গেলে গয়না হারিয়ে যেতে পারে।
রত্নপাথর না বুঝে ভিজিয়ে রাখবেন না: পাথরের ধরন অনুযায়ী পরিষ্কারের পদ্ধতি আলাদা হতে পারে।
চেন, আংটি, কানের দুল ও চুড়ি আলাদা নরম কাপড় বা গয়নার বাক্সে রাখা ভালো। ব্যবহারের পর নরম শুকনো কাপড় দিয়ে ঘাম ও প্রসাধনীর আস্তরণ মুছে রাখলেও গয়নার উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সহায়তা করে।
এনামেলযুক্ত গয়না, জটিল নকশার গয়না এবং সংবেদনশীল রত্নপাথর বসানো গয়নার ক্ষেত্রেও পেশাদারের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
সাধারণ সোনার গয়না পরিষ্কারে অনেক সময় হালকা গরম পানি, মৃদু সাবান, নরম ব্রাশ ও নরম কাপড়ই যথেষ্ট। তবে রত্নপাথর বসানো গয়নায় একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা উচিত নয়। গয়না চকচকে করার জন্য জোরে ঘষাঘষি বা শক্তিশালী রাসায়নিক ব্যবহার না করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সময় গড়ানোর সঙ্গে সোনার গয়নার উজ্জ্বলতা কমে যাওয়া স্বাভাবিক। নিয়মিত ব্যবহারে ঘাম, ধুলো, সাবান, মেকআপ, লোশন ও অন্যান্য প্রসাধনীর আস্তরণ গয়নার ওপর জমে যায়। ফলে নতুন গয়নার মতো ঝকঝকে ভাব আর থাকে না।
তবে সাধারণ ময়লা বা তেলতেলে আস্তরণ পরিষ্কার করতে সব সময় জুয়েলারির দোকানে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কিছু সহজ উপকরণ ব্যবহার করে বাড়িতেই সোনার গয়না পরিষ্কার করা যায়। তবে ভুল উপকরণ বা অতিরিক্ত ঘষাঘষিতে গয়নায় আঁচড় পড়তে পারে, পালিশ নষ্ট হতে পারে কিংবা রত্নপাথর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এর ফলে গয়নার ওপর পাতলা আস্তরণ তৈরি হয়ে স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা কমে যায়।
গয়না পরিষ্কারের সময় খোলা ড্রেনের ওপর কাজ না করাই ভালো। পাত্রে বা বন্ধ ড্রেনের ওপর পরিষ্কার করলে গয়না পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।
বিশেষ করে দামি, পুরোনো বা নকশা করা গয়নায় বেকিং সোডা দিয়ে ঘষা এড়িয়ে চলাই ভালো।
তাই টুথপেস্টের পরিবর্তে মৃদু সাবান ও হালকা গরম পানি ব্যবহার করাই ভালো।
বিশেষ করে মুক্তো ও কিছু নরম বা ছিদ্রযুক্ত রত্ন দীর্ঘ সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখা বা রাসায়নিক দিয়ে পরিষ্কার করা ক্ষতিকর হতে পারে। এমন গয়না হলে নরম কাপড় দিয়ে আলতো করে মুছে নেওয়া ভালো। দামি বা নাজুক গয়না হলে জুয়েলারির পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।
সুইমিং পুল বা হট টাবে যাওয়ার সময়ও গয়না খুলে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়।
খুব গরম পানি নয়: হালকা গরম পানিই যথেষ্ট।
টুথপেস্ট নয়: গয়নার পৃষ্ঠে সূক্ষ্ম আঁচড় পড়তে পারে।
বেকিং সোডা দিয়ে ঘষবেন না: পালিশ ও নকশা করা গয়নায় ঝুঁকি বাড়তে পারে।
খোলা ড্রেনের ওপর পরিষ্কার করবেন না: হাত থেকে পড়ে গেলে গয়না হারিয়ে যেতে পারে।
রত্নপাথর না বুঝে ভিজিয়ে রাখবেন না: পাথরের ধরন অনুযায়ী পরিষ্কারের পদ্ধতি আলাদা হতে পারে।
চেন, আংটি, কানের দুল ও চুড়ি আলাদা নরম কাপড় বা গয়নার বাক্সে রাখা ভালো। ব্যবহারের পর নরম শুকনো কাপড় দিয়ে ঘাম ও প্রসাধনীর আস্তরণ মুছে রাখলেও গয়নার উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সহায়তা করে।
এনামেলযুক্ত গয়না, জটিল নকশার গয়না এবং সংবেদনশীল রত্নপাথর বসানো গয়নার ক্ষেত্রেও পেশাদারের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
সাধারণ সোনার গয়না পরিষ্কারে অনেক সময় হালকা গরম পানি, মৃদু সাবান, নরম ব্রাশ ও নরম কাপড়ই যথেষ্ট। তবে রত্নপাথর বসানো গয়নায় একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা উচিত নয়। গয়না চকচকে করার জন্য জোরে ঘষাঘষি বা শক্তিশালী রাসায়নিক ব্যবহার না করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
