বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

২০০৪ সালের এই দিনে স্তব্ধ হয়ে যায় টঙ্গীর জনসভা

৭ মে: শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের হত্যার শোকাবহ দিন

৭ মে: শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের হত্যার শোকাবহ দিন
ছবি: সংগৃহীত

৭ মে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি শোকাবহ ও বেদনাবিধুর দিন। ২০০৪ সালের এই দিনে রাজধানীর টঙ্গীতে নিজ বাড়ির সামনে প্রকাশ্য জনসভায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন জননন্দিত শ্রমিক নেতা ও সংসদ সদস্য আহসানউল্লাহ মাস্টার।

তৎকালীন সময়ে তিনি টঙ্গীর একটি স্কুল মাঠে স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিপুল ভোটে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য ছিলেন শ্রমজীবী মানুষের প্রিয় নেতা এবং জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি।

জনসভাস্থলে প্রকাশ্য দিবালোকে সন্ত্রাসী হামলায় তিনি নিহত হন, যা দেশজুড়ে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহলে দাবি ও আন্দোলন চলতে থাকে।

আহসানউল্লাহ মাস্টারের স্মরণে প্রতি বছর ৭ মে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে থাকেন। এ দিনটি তাঁর অনুসারী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে এখনও গভীর শোক ও শ্রদ্ধার প্রতীক হয়ে আছে।

আহসানউল্লাহ মাস্টারের শহীদ দিবসে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সবাইকে ন্যায় ও শান্তির সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

#আহসানউল্লাহমাস্টার #৭মে #শহীদদিবস

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


৭ মে: শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টারের হত্যার শোকাবহ দিন

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

featured Image

৭ মে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি শোকাবহ ও বেদনাবিধুর দিন। ২০০৪ সালের এই দিনে রাজধানীর টঙ্গীতে নিজ বাড়ির সামনে প্রকাশ্য জনসভায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন জননন্দিত শ্রমিক নেতা ও সংসদ সদস্য আহসানউল্লাহ মাস্টার।

তৎকালীন সময়ে তিনি টঙ্গীর একটি স্কুল মাঠে স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিপুল ভোটে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য ছিলেন শ্রমজীবী মানুষের প্রিয় নেতা এবং জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি।

জনসভাস্থলে প্রকাশ্য দিবালোকে সন্ত্রাসী হামলায় তিনি নিহত হন, যা দেশজুড়ে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।

ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহলে দাবি ও আন্দোলন চলতে থাকে।

আহসানউল্লাহ মাস্টারের স্মরণে প্রতি বছর ৭ মে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে থাকেন। এ দিনটি তাঁর অনুসারী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে এখনও গভীর শোক ও শ্রদ্ধার প্রতীক হয়ে আছে।

আহসানউল্লাহ মাস্টারের শহীদ দিবসে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সবাইকে ন্যায় ও শান্তির সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত