৭ মে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি শোকাবহ ও বেদনাবিধুর দিন। ২০০৪ সালের এই দিনে রাজধানীর টঙ্গীতে নিজ বাড়ির সামনে প্রকাশ্য জনসভায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন জননন্দিত শ্রমিক নেতা ও সংসদ সদস্য আহসানউল্লাহ মাস্টার।
তৎকালীন সময়ে তিনি টঙ্গীর একটি স্কুল মাঠে স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিপুল ভোটে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য ছিলেন শ্রমজীবী মানুষের প্রিয় নেতা এবং জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি।
জনসভাস্থলে প্রকাশ্য দিবালোকে সন্ত্রাসী হামলায় তিনি নিহত হন, যা দেশজুড়ে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহলে দাবি ও আন্দোলন চলতে থাকে।
আহসানউল্লাহ মাস্টারের স্মরণে প্রতি বছর ৭ মে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে থাকেন। এ দিনটি তাঁর অনুসারী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে এখনও গভীর শোক ও শ্রদ্ধার প্রতীক হয়ে আছে।

শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
৭ মে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি শোকাবহ ও বেদনাবিধুর দিন। ২০০৪ সালের এই দিনে রাজধানীর টঙ্গীতে নিজ বাড়ির সামনে প্রকাশ্য জনসভায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন জননন্দিত শ্রমিক নেতা ও সংসদ সদস্য আহসানউল্লাহ মাস্টার।
তৎকালীন সময়ে তিনি টঙ্গীর একটি স্কুল মাঠে স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিপুল ভোটে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য ছিলেন শ্রমজীবী মানুষের প্রিয় নেতা এবং জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি।
জনসভাস্থলে প্রকাশ্য দিবালোকে সন্ত্রাসী হামলায় তিনি নিহত হন, যা দেশজুড়ে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহলে দাবি ও আন্দোলন চলতে থাকে।
আহসানউল্লাহ মাস্টারের স্মরণে প্রতি বছর ৭ মে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে থাকেন। এ দিনটি তাঁর অনুসারী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে এখনও গভীর শোক ও শ্রদ্ধার প্রতীক হয়ে আছে।
