দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির জন্য নতুন দায়িত্ব বণ্টন করেছে সরকার। এ দায়িত্ব পেয়েছেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিলিয়ে ৩০ জন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসনের সংযোগ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি স্বাক্ষর করেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত ৩০ জনের মধ্যে রয়েছেন ১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী, ১৪ জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন জাতীয় সংসদের হুইপ। তাদের মধ্যে সাতজন পেয়েছেন একটি জেলা, ১২ জন পেয়েছেন দুটি জেলা এবং ১১ জন পেয়েছেন তিনটি জেলার দায়িত্ব।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্তরা নিজ নিজ জেলার স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সাংবিধানিক সংস্থার আইনগত ক্ষমতা অক্ষুণ্ন রেখে সরকারি কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকি করবেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা নিজ নিজ জেলার—
করবেন।
সরকার জানিয়েছে, টেকসই উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, জননিরাপত্তা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। তবে এতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো সাংবিধানিক ও আইনগত সংস্থার ক্ষমতা খর্ব হবে না।

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
দেশের ৬৪ জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকির জন্য নতুন দায়িত্ব বণ্টন করেছে সরকার। এ দায়িত্ব পেয়েছেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপ মিলিয়ে ৩০ জন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসনের সংযোগ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি স্বাক্ষর করেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত ৩০ জনের মধ্যে রয়েছেন ১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী, ১৪ জন প্রতিমন্ত্রী এবং তিনজন জাতীয় সংসদের হুইপ। তাদের মধ্যে সাতজন পেয়েছেন একটি জেলা, ১২ জন পেয়েছেন দুটি জেলা এবং ১১ জন পেয়েছেন তিনটি জেলার দায়িত্ব।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্তরা নিজ নিজ জেলার স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সাংবিধানিক সংস্থার আইনগত ক্ষমতা অক্ষুণ্ন রেখে সরকারি কার্যক্রম সমন্বয় ও তদারকি করবেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপরা নিজ নিজ জেলার—
করবেন।
সরকার জানিয়েছে, টেকসই উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, জননিরাপত্তা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। তবে এতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান বা অন্য কোনো সাংবিধানিক ও আইনগত সংস্থার ক্ষমতা খর্ব হবে না।
