নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলী শ্যামলাপাড়ায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ‘হেলমেট বাহিনীর’ হামলার অভিযোগ তুলে জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন কয়েকটি ভুক্তভোগী পরিবার।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুর ২টায় নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন আহত আলামিনের স্ত্রী রায়হানা বেগম, মৃত আব্দুর রহমানের স্ত্রী মর্জিনা বেগম, মইনুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা খাতুন, নুর ইসলামের স্ত্রী ফুলু আক্তার এবং খায়রুল ইসলামের স্ত্রী হাসিনা বেগম। এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারাও উপস্থিত ছিলেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রায় ১ একর ৯ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। এ বিষয়ে ২০২০ সাল থেকে আদালতে রেকর্ড সংশোধনী মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গত ২২ জুন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তদন্ত শেষে চলে যাওয়ার পর প্রতিপক্ষের লোকজন ও হেলমেট পরিহিত কয়েকজন ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালায়।
তাদের অভিযোগ, হামলায় নারী ও শিশুসহ প্রায় ১০ জন আহত হন। পরে শিশুদের মারধর, নারীদের শারীরিক নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির অভিযোগও তোলা হয়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায় বলেও দাবি করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার পর থেকে প্রতিপক্ষের লোকজন নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। থানায় অভিযোগ দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তা গ্রহণ করা হয়নি বলে ভুক্তভোগীদের দাবি। ফলে পরিবারগুলোর সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন এবং শিশুদের স্কুলে পাঠাতেও ভয় পাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত, ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং তাদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের উত্তর সোনাখুলী শ্যামলাপাড়ায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ‘হেলমেট বাহিনীর’ হামলার অভিযোগ তুলে জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন কয়েকটি ভুক্তভোগী পরিবার।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুর ২টায় নিজ বাড়িতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন আহত আলামিনের স্ত্রী রায়হানা বেগম, মৃত আব্দুর রহমানের স্ত্রী মর্জিনা বেগম, মইনুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা খাতুন, নুর ইসলামের স্ত্রী ফুলু আক্তার এবং খায়রুল ইসলামের স্ত্রী হাসিনা বেগম। এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারাও উপস্থিত ছিলেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, প্রায় ১ একর ৯ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছে। এ বিষয়ে ২০২০ সাল থেকে আদালতে রেকর্ড সংশোধনী মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গত ২২ জুন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তদন্ত শেষে চলে যাওয়ার পর প্রতিপক্ষের লোকজন ও হেলমেট পরিহিত কয়েকজন ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালায়।
তাদের অভিযোগ, হামলায় নারী ও শিশুসহ প্রায় ১০ জন আহত হন। পরে শিশুদের মারধর, নারীদের শারীরিক নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির অভিযোগও তোলা হয়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায় বলেও দাবি করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, ঘটনার পর থেকে প্রতিপক্ষের লোকজন নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। থানায় অভিযোগ দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তা গ্রহণ করা হয়নি বলে ভুক্তভোগীদের দাবি। ফলে পরিবারগুলোর সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন এবং শিশুদের স্কুলে পাঠাতেও ভয় পাচ্ছেন।
ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত, ঘটনার সুষ্ঠু বিচার এবং তাদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
