নীলফামারীর সৈয়দপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ক্রিকেট একাডেমির পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে একাডেমির কোচের হাতে নতুন অনুশীলন নেট তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী এস. এম. আলী রেজা রাজু, সাবেক জাতীয় খেলোয়াড় মোক্তার সিদ্দিকী, ক্রীড়া অনুরাগী এহতেশামুল হক সানিসহ স্থানীয় ক্রীড়াবিদ ও খেলোয়াড়রা।
জানা যায়, সম্প্রতি কালবৈশাখী ঝড়ে সৈয়দপুর শহরের ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমির অনুশীলন মাঠ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ে প্র্যাকটিস নেট ও খুঁটি ভেঙে পড়ায় একাডেমির ক্রিকেটারদের নিয়মিত অনুশীলন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতেই উপজেলা প্রশাসন নতুন অনুশীলন নেট সরবরাহ করেছে।
একাডেমির কোচ নওশাদ ও হ্যাপি বলেন, ঝড়ের পর মাঠের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হয়ে পড়েছিল, ফলে তারা দুশ্চিন্তায় ছিলেন। নতুন নেট পাওয়ায় ক্রিকেটাররা আবার মাঠে ফিরতে পারবে এবং নিয়মিত অনুশীলন শুরু করতে পারবে। এ সহযোগিতার জন্য তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়, এ সহায়তার মাধ্যমে এলাকার ক্রীড়া কার্যক্রম আবারও প্রাণ ফিরে পাবে এবং তরুণ খেলোয়াড়রা নতুন উদ্যমে অনুশীলন চালিয়ে যেতে পারবে।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি ক্রিকেট একাডেমির পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে একাডেমির কোচের হাতে নতুন অনুশীলন নেট তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী এস. এম. আলী রেজা রাজু, সাবেক জাতীয় খেলোয়াড় মোক্তার সিদ্দিকী, ক্রীড়া অনুরাগী এহতেশামুল হক সানিসহ স্থানীয় ক্রীড়াবিদ ও খেলোয়াড়রা।
জানা যায়, সম্প্রতি কালবৈশাখী ঝড়ে সৈয়দপুর শহরের ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমির অনুশীলন মাঠ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ে প্র্যাকটিস নেট ও খুঁটি ভেঙে পড়ায় একাডেমির ক্রিকেটারদের নিয়মিত অনুশীলন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতেই উপজেলা প্রশাসন নতুন অনুশীলন নেট সরবরাহ করেছে।
একাডেমির কোচ নওশাদ ও হ্যাপি বলেন, ঝড়ের পর মাঠের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হয়ে পড়েছিল, ফলে তারা দুশ্চিন্তায় ছিলেন। নতুন নেট পাওয়ায় ক্রিকেটাররা আবার মাঠে ফিরতে পারবে এবং নিয়মিত অনুশীলন শুরু করতে পারবে। এ সহযোগিতার জন্য তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়, এ সহায়তার মাধ্যমে এলাকার ক্রীড়া কার্যক্রম আবারও প্রাণ ফিরে পাবে এবং তরুণ খেলোয়াড়রা নতুন উদ্যমে অনুশীলন চালিয়ে যেতে পারবে।
