সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা সেবনের দায়ে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে দণ্ড প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর পৌরসভার বেড়ীপোটল এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে নিজ বাড়িতে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় মো. হবিবর রহমান (পিতা: মৃত জালাল শেখ) এবং মো. তুতা মিয়া (৫৫) (পিতা: আব্দুল মন্ডল) কে আটক করা হয়। তারা উভয়েই বেড়ীপোটল চরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৯(১)গ ধারা ভঙ্গ এবং ৩৬ ধারার সারণি-১ এর ক্রমিক ২১ অনুযায়ী তাদের প্রত্যেককে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে হবিবর রহমান দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পূর্বেও মাদক সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি গাঁজা বিক্রির মাধ্যমে প্রতি মাসে আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা আয় করতেন, যা এলাকার যুবসমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল।
এ অভিযানের পর এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, নিয়মিত এমন অভিযান চললে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজা সেবনের দায়ে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে দণ্ড প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর পৌরসভার বেড়ীপোটল এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে নিজ বাড়িতে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় মো. হবিবর রহমান (পিতা: মৃত জালাল শেখ) এবং মো. তুতা মিয়া (৫৫) (পিতা: আব্দুল মন্ডল) কে আটক করা হয়। তারা উভয়েই বেড়ীপোটল চরপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৯(১)গ ধারা ভঙ্গ এবং ৩৬ ধারার সারণি-১ এর ক্রমিক ২১ অনুযায়ী তাদের প্রত্যেককে ৪ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে হবিবর রহমান দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পূর্বেও মাদক সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি গাঁজা বিক্রির মাধ্যমে প্রতি মাসে আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা আয় করতেন, যা এলাকার যুবসমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল।
এ অভিযানের পর এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, নিয়মিত এমন অভিযান চললে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
