একটা সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহসী ফটোসেশনের ছবি পোস্ট করে ঝড় তুলেছিলেন মডেল নায়লা নাঈম। সেই জনপ্রিয়তা পুঁজি করে একের পর এক বিজ্ঞাপন, নাটক ও চলচ্চিত্রেও কাজ করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে দন্ত চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হন নায়লা। এ ছাড়া পথকুকুর-বিড়ালের জন্য কাজ করেন নায়লা নাঈম।
এবার শাকিব খানের রকস্টার দেখে বেজায় চটেছেন এই মডেল। ঈদের সবচেয়ে আলোচিত সিনেমা রকস্টার। আজমান রুশো পরিচালিত সিনেমাটিতে শাকিবের সহঅভিনেত্রী তিনজন। তারা হলেন সাবিলা নূর, তানজিয়া মিথিলা ও সুনিধি নায়েক। এরই মধ্যে ঈদের দিন সিনেমাটি দেখে দর্শকরা একের পর এক নেটিবাচক রিভিউ দিয়েছেন। এবার সেই পথেই হাঁটলেন নায়লা।
ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাসে নায়লা নাঈম লিখেছেন, শাকিবিয়ানদের সঙ্গে এভাবে ব্লাফ দেবে পরিচালক কোনোদিন কল্পনাও করিনি!
সিনেমায় না ছিল কোনো কাহিনি, না ছিল গল্পের গভীরতা! আমার সঙ্গে যিনি গিয়েছিলেন মুভি দেখতে শেষের এক ঘণ্টা ঘুমিয়েছে। যেখানে প্রিয়তমার মতো মুভি দেখে তিনি কাঁদতে কাঁদতে হল থেকে বের হয়েছেন। প্রিয়তমা, রাজকুমার, বরবাদ এই ধরনের মুভি করার পর শাকিব খানকে কি ভূতে ধরছে যে তার ফ্যান ফলোয়ারদের এসব ফালতু অখাদ্য সিনেমা সে এক পর এক উপহার দিচ্ছে?
তিনি আরও বলেন, পুরো মুভিতে শাকিব খান ছাড়া দেখার কিছু ছিল না। না হলে আল্লাহর কসম হল থেকে বের হয়ে টাকা ফেরত চাইতাম।
মারিয়া মিমের সহজ সরল উক্তি ছিল শাকিব খানের সঙ্গে নাটকের নায়িকা প্রেম করছে... তাই তাকে ইধিকা পালের জায়গায় শাকিব খানের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে।
নায়লা নাঈম ক্ষোভ নিয়েই বলেন, মুভি দেখে উক্তিটি শতভাগ সঠিক মনে হয়েছে। প্রোডিউসারের পকেট কেটে কীভাবে ঘোড়ার ডিম বানানো যায় এ মুভি দেখলে বোঝা যাবে। মিউজিক নিয়ে ফিল্ম। অথচ মুভির নামের সঙ্গে যায় এরকম উল্লেখযোগ্য কোনো মিউজিকই নেই। ডিয়ার শাকিব খান, একজন ফ্যান হিসেবে হলে যাই আপনার মুভি দেখে হাসতে, কাঁদতে, পরিবারসহ আনন্দ করতে। পরিচালক এবং গল্প নির্বাচনে সতর্ক হোন... হিমেল আশরাফ বা মেহেদী হাসান হৃদয় বা রায়হান রাফী এসব পরিচালকরা আপনাকে বুঝে এবং বোঝে দর্শক হলে কি দেখতে যায়! টিকিটের টাকা এবং পপকন ড্রিংকসের টাকা পুরাটাই বৃথা গেল।

শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬
একটা সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহসী ফটোসেশনের ছবি পোস্ট করে ঝড় তুলেছিলেন মডেল নায়লা নাঈম। সেই জনপ্রিয়তা পুঁজি করে একের পর এক বিজ্ঞাপন, নাটক ও চলচ্চিত্রেও কাজ করেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে দন্ত চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হন নায়লা। এ ছাড়া পথকুকুর-বিড়ালের জন্য কাজ করেন নায়লা নাঈম।
এবার শাকিব খানের রকস্টার দেখে বেজায় চটেছেন এই মডেল। ঈদের সবচেয়ে আলোচিত সিনেমা রকস্টার। আজমান রুশো পরিচালিত সিনেমাটিতে শাকিবের সহঅভিনেত্রী তিনজন। তারা হলেন সাবিলা নূর, তানজিয়া মিথিলা ও সুনিধি নায়েক। এরই মধ্যে ঈদের দিন সিনেমাটি দেখে দর্শকরা একের পর এক নেটিবাচক রিভিউ দিয়েছেন। এবার সেই পথেই হাঁটলেন নায়লা।
ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাসে নায়লা নাঈম লিখেছেন, শাকিবিয়ানদের সঙ্গে এভাবে ব্লাফ দেবে পরিচালক কোনোদিন কল্পনাও করিনি!
সিনেমায় না ছিল কোনো কাহিনি, না ছিল গল্পের গভীরতা! আমার সঙ্গে যিনি গিয়েছিলেন মুভি দেখতে শেষের এক ঘণ্টা ঘুমিয়েছে। যেখানে প্রিয়তমার মতো মুভি দেখে তিনি কাঁদতে কাঁদতে হল থেকে বের হয়েছেন। প্রিয়তমা, রাজকুমার, বরবাদ এই ধরনের মুভি করার পর শাকিব খানকে কি ভূতে ধরছে যে তার ফ্যান ফলোয়ারদের এসব ফালতু অখাদ্য সিনেমা সে এক পর এক উপহার দিচ্ছে?
তিনি আরও বলেন, পুরো মুভিতে শাকিব খান ছাড়া দেখার কিছু ছিল না। না হলে আল্লাহর কসম হল থেকে বের হয়ে টাকা ফেরত চাইতাম।
মারিয়া মিমের সহজ সরল উক্তি ছিল শাকিব খানের সঙ্গে নাটকের নায়িকা প্রেম করছে... তাই তাকে ইধিকা পালের জায়গায় শাকিব খানের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে।
নায়লা নাঈম ক্ষোভ নিয়েই বলেন, মুভি দেখে উক্তিটি শতভাগ সঠিক মনে হয়েছে। প্রোডিউসারের পকেট কেটে কীভাবে ঘোড়ার ডিম বানানো যায় এ মুভি দেখলে বোঝা যাবে। মিউজিক নিয়ে ফিল্ম। অথচ মুভির নামের সঙ্গে যায় এরকম উল্লেখযোগ্য কোনো মিউজিকই নেই। ডিয়ার শাকিব খান, একজন ফ্যান হিসেবে হলে যাই আপনার মুভি দেখে হাসতে, কাঁদতে, পরিবারসহ আনন্দ করতে। পরিচালক এবং গল্প নির্বাচনে সতর্ক হোন... হিমেল আশরাফ বা মেহেদী হাসান হৃদয় বা রায়হান রাফী এসব পরিচালকরা আপনাকে বুঝে এবং বোঝে দর্শক হলে কি দেখতে যায়! টিকিটের টাকা এবং পপকন ড্রিংকসের টাকা পুরাটাই বৃথা গেল।
