শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

মুসল্লিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ইব্রাহিমি মসজিদ বন্ধ করল ইসরায়েল: জুমার নামাজ বন্ধ, পশ্চিম তীরে উত্তেজনা

ইব্রাহিমি মসজিদ বন্ধ করল ইসরায়েল: জুমার নামাজ বন্ধ, পশ্চিম তীরে উত্তেজনা
হেবরনে শহরে অবস্থিত ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদ। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন (আল-খলিল) শহরে অবস্থিত ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে জারি করা এই নির্দেশনার ফলে পবিত্র জুমার নামাজও আদায় করতে পারেননি মুসল্লিরা।

মসজিদটির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হাম্মাম আবু মারাখিয়া জানান, সকালে হঠাৎ করেই “পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত” মসজিদটি বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মী, গার্ড ও মুসল্লিদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। তিনি এটিকে মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন।

ইসরায়েলি বাহিনী মসজিদের চারপাশে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে এবং প্রবেশপথের চেকপয়েন্ট ও ইলেকট্রনিক গেট বন্ধ করে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। এর ফলে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ফিলিস্তিনি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি মসজিদের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক অবস্থান পরিবর্তনের প্রচেষ্টার অংশ। তারা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।

এর আগে ঈদুল আজহা উপলক্ষে সীমিত সংখ্যক মুসল্লি এখানে নামাজ আদায় করলেও কঠোর বিধিনিষেধের কারণে বহু মানুষ অংশ নিতে পারেননি। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপের অভিযোগকে ঘিরে।

১৯৯৪ সালের সহিংস ঘটনার পর থেকে মসজিদটি বিভক্ত নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়ে আসছে। ২০২৩ সালের পর পশ্চিম তীরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে, যেখানে সহিংসতা ও সামরিক অভিযান বৃদ্ধির অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে এটি অঞ্চলের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

#ফিলিস্তিনসংকট #ইব্রাহিমিমসজিদ #মধ্যপ্রাচ্যসংবাদ

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬


ইব্রাহিমি মসজিদ বন্ধ করল ইসরায়েল: জুমার নামাজ বন্ধ, পশ্চিম তীরে উত্তেজনা

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬

featured Image

ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন (আল-খলিল) শহরে অবস্থিত ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে জারি করা এই নির্দেশনার ফলে পবিত্র জুমার নামাজও আদায় করতে পারেননি মুসল্লিরা।

মসজিদটির ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হাম্মাম আবু মারাখিয়া জানান, সকালে হঠাৎ করেই “পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত” মসজিদটি বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মী, গার্ড ও মুসল্লিদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয়। তিনি এটিকে মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন।

ইসরায়েলি বাহিনী মসজিদের চারপাশে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে এবং প্রবেশপথের চেকপয়েন্ট ও ইলেকট্রনিক গেট বন্ধ করে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। এর ফলে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ফিলিস্তিনি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি মসজিদের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক অবস্থান পরিবর্তনের প্রচেষ্টার অংশ। তারা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।

এর আগে ঈদুল আজহা উপলক্ষে সীমিত সংখ্যক মুসল্লি এখানে নামাজ আদায় করলেও কঠোর বিধিনিষেধের কারণে বহু মানুষ অংশ নিতে পারেননি। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপের অভিযোগকে ঘিরে।

১৯৯৪ সালের সহিংস ঘটনার পর থেকে মসজিদটি বিভক্ত নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়ে আসছে। ২০২৩ সালের পর পশ্চিম তীরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে, যেখানে সহিংসতা ও সামরিক অভিযান বৃদ্ধির অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে এটি অঞ্চলের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত