হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় স্পিরিট ও চোলাই মদ পানে এক দিনে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মৃতরা হলেন লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের মৃত শুভ্রত দাসের ছেলে সুজিত দাস (৩৫), একই গ্রামের মৃত মনোরঞ্জন দাসের ছেলে সুদেব দাস (৬০), হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কামড়াপুর গ্রামের মৃত শীতেন্দ্র কৈরীর ছেলে রঞ্জিত কৈরী (৪০) এবং ভাদিকারা মুচিপাড়া গ্রামের নন্দলাল রবিদাস (৫০)।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মোড়াকরি গ্রামে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় কয়েকজন ব্যক্তি একটি হোমিও ওষুধের দোকান থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যালকো স্পিরিট সংগ্রহ করে পান করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর তারা বুধবার দুপুর পর্যন্ত স্বাভাবিক ছিলেন। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সুজিত দাসকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সুদেব দাসকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। রঞ্জিত কৈরী ঢাকায় গিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় বিপুল দাস নামে আরও একজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, লাখাইয়ের ভাদিকারা মুচিপাড়া গ্রামের নন্দলাল রবিদাস অতিরিক্ত চোলাই মদ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, নন্দলালের মৃত্যুর খবর শুনে তার স্ত্রী সুগনি রবিদাস (৪৫) হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
ঘটনার খবর পেয়ে লাখাই থানা পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেন। পুলিশ জানায়, লাশগুলো পরিবারের পক্ষ থেকে সৎকার করা হয়েছে।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, মৃত্যুর বিষয়টি জানা গেছে। মোড়াকরি গ্রামের ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় স্পিরিট ও চোলাই মদ পানে এক দিনে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মৃতরা হলেন লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের মৃত শুভ্রত দাসের ছেলে সুজিত দাস (৩৫), একই গ্রামের মৃত মনোরঞ্জন দাসের ছেলে সুদেব দাস (৬০), হবিগঞ্জ সদর উপজেলার কামড়াপুর গ্রামের মৃত শীতেন্দ্র কৈরীর ছেলে রঞ্জিত কৈরী (৪০) এবং ভাদিকারা মুচিপাড়া গ্রামের নন্দলাল রবিদাস (৫০)।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মোড়াকরি গ্রামে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সময় কয়েকজন ব্যক্তি একটি হোমিও ওষুধের দোকান থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যালকো স্পিরিট সংগ্রহ করে পান করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর তারা বুধবার দুপুর পর্যন্ত স্বাভাবিক ছিলেন। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সুজিত দাসকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সুদেব দাসকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। রঞ্জিত কৈরী ঢাকায় গিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় বিপুল দাস নামে আরও একজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, লাখাইয়ের ভাদিকারা মুচিপাড়া গ্রামের নন্দলাল রবিদাস অতিরিক্ত চোলাই মদ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, নন্দলালের মৃত্যুর খবর শুনে তার স্ত্রী সুগনি রবিদাস (৪৫) হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
ঘটনার খবর পেয়ে লাখাই থানা পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেন। পুলিশ জানায়, লাশগুলো পরিবারের পক্ষ থেকে সৎকার করা হয়েছে।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, মৃত্যুর বিষয়টি জানা গেছে। মোড়াকরি গ্রামের ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
