হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা-এ নিরীক্ষণ কর্মকর্তার অনিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে দাপ্তরিক কাজ ব্যাহত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলা নিরীক্ষণ কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন যোগদানের পর থেকেই নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকছেন না। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ দপ্তরের কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে বলে দাবি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের।
উপজেলা পরিষদের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, বিল-ভাউচারসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ নিয়ে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টরা সমস্যায় পড়ছেন। এমনকি সরকারি জাতীয় অনুষ্ঠানগুলোতেও তাকে অনুপস্থিত থাকতে দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
নিরীক্ষণ দপ্তরের এক কর্মচারী জানান, প্রয়োজন হলে তিনি অফিসে আসেন, অন্যথায় অনুপস্থিত থাকেন।
এ বিষয়ে নিরীক্ষণ কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন বলেন, “আমি অফিসে না আসলে কি হবে, কাজ তো আর আটকে থাকে না।” তবে সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে তিনি মাত্র একদিন অফিস করেছেন এবং কয়েকদিন তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকেও তাকে অফিসে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি মিটিংয়ে রয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বলেন, নিরীক্ষণ কর্মকর্তার অনুপস্থিতির বিষয়টি প্রশাসনের জন্য উদ্বেগজনক। তাকে নিয়মিত উপস্থিত রাখতে চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, দপ্তরের কার্যক্রম সচল রাখতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা-এ নিরীক্ষণ কর্মকর্তার অনিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে দাপ্তরিক কাজ ব্যাহত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন সংশ্লিষ্টরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলা নিরীক্ষণ কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন যোগদানের পর থেকেই নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকছেন না। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ দপ্তরের কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে বলে দাবি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের।
উপজেলা পরিষদের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, বিল-ভাউচারসহ বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ নিয়ে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টরা সমস্যায় পড়ছেন। এমনকি সরকারি জাতীয় অনুষ্ঠানগুলোতেও তাকে অনুপস্থিত থাকতে দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
নিরীক্ষণ দপ্তরের এক কর্মচারী জানান, প্রয়োজন হলে তিনি অফিসে আসেন, অন্যথায় অনুপস্থিত থাকেন।
এ বিষয়ে নিরীক্ষণ কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন বলেন, “আমি অফিসে না আসলে কি হবে, কাজ তো আর আটকে থাকে না।” তবে সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গত সপ্তাহে তিনি মাত্র একদিন অফিস করেছেন এবং কয়েকদিন তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকেও তাকে অফিসে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি মিটিংয়ে রয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বলেন, নিরীক্ষণ কর্মকর্তার অনুপস্থিতির বিষয়টি প্রশাসনের জন্য উদ্বেগজনক। তাকে নিয়মিত উপস্থিত রাখতে চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, দপ্তরের কার্যক্রম সচল রাখতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
