রোববার, ০৭ জুন ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

আইন আদালত

আদালতের রায়ে অর্থদণ্ডও

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় আদালত বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণে রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। একই অপরাধে স্বপ্না খাতুনের সম্পৃক্ততাও আদালতে প্রমাণিত হয়েছে।

এর আগে সকালে সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা গত ১৯ মে সকালে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর রামিসার মা আসামিদের ঘরের সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে তার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।

ঘটনার পরদিন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। পরে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেন।

#রামিসা_হত্যা_মামলা #পল্লবী_হত্যাকাণ্ড #সোহেল_স্বপ্নার_মৃত্যুদণ্ড

চেকপোস্ট

রোববার, ০৭ জুন ২০২৬


রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলায় সোহেল-স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুন ২০২৬

featured Image

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় আদালত বলেন, সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণে রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। একই অপরাধে স্বপ্না খাতুনের সম্পৃক্ততাও আদালতে প্রমাণিত হয়েছে।

এর আগে সকালে সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলায় ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা গত ১৯ মে সকালে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

অনেক খোঁজাখুঁজির পর রামিসার মা আসামিদের ঘরের সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর থেকে তার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্নাকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।

ঘটনার পরদিন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। পরে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত