শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

প্রতিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি

রামপালে সরকারি খাল ভরাট, জমিতে যাওয়ার পথ বন্ধ

রামপালে সরকারি খাল ভরাট, জমিতে যাওয়ার পথ বন্ধ
ছবি: চেকপোস্ট

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার টেংরামারি মৌজায় সরকারি রেকর্ডভুক্ত ঠালনতলা খাল অবৈধভাবে ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ ও জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এতে জমির মালিকরা তাদের নিজস্ব জমিতে প্রবেশের একমাত্র পথ হারিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী রোমিছা খাতুন, রমলা বালা হালদার ও সুদীপ মন্ডল গং প্রতিকার চেয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদুল ইসলাম বরাবর আবেদন করেছেন। আবেদনে তারা জানান, আর.এস. ১৪০ নং খতিয়ানভুক্ত ১০৯ দাগের জমির বৈধ মালিক তারা। জমির তিন পাশে সরকারি ঠালনতলা খাল এবং অন্য পাশে মহাসড়ক ও রেললাইন থাকায় খালটিই ছিল তাদের যাতায়াতের একমাত্র পথ।

অভিযোগ রয়েছে, ঢাকার ধানমন্ডির বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন খালটি বালু দিয়ে ভরাট করে সেখানে ঘর ও পাকা গেট নির্মাণ করেছেন। এতে শুধু সরকারি সম্পদ দখলই হয়নি, বরং জমিতে প্রবেশের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে প্রায় ৮২ শতাংশ জমি ব্যবহার করতে না পেরে তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন ও আইনি পদক্ষেপ নিলেও এখনো কার্যকর সমাধান পাননি। তারা দ্রুত তদন্ত করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং খালটি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীর প্যানেল শালিশে এ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন, সোয়াইব হোসেন সোয়েব, আবুল বাশার, মশিউর রহমান ও বাদশাহ মোল্লা উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করেন। শালিশে জানা যায়, প্রায় এক একর প্রবাহমান খাল বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে।

অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা না গেলেও তার স্থানীয় প্রতিনিধি সরদার পারভেজ দাবি করেন, জমি নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন।

এদিকে পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) নেতৃবৃন্দ খালটি দখলমুক্ত করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

#রামপাল_সংবাদ #খাল_দখল #পরিবেশ_সংকট

চেকপোস্ট

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬


রামপালে সরকারি খাল ভরাট, জমিতে যাওয়ার পথ বন্ধ

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার টেংরামারি মৌজায় সরকারি রেকর্ডভুক্ত ঠালনতলা খাল অবৈধভাবে ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ ও জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এতে জমির মালিকরা তাদের নিজস্ব জমিতে প্রবেশের একমাত্র পথ হারিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী রোমিছা খাতুন, রমলা বালা হালদার ও সুদীপ মন্ডল গং প্রতিকার চেয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদুল ইসলাম বরাবর আবেদন করেছেন। আবেদনে তারা জানান, আর.এস. ১৪০ নং খতিয়ানভুক্ত ১০৯ দাগের জমির বৈধ মালিক তারা। জমির তিন পাশে সরকারি ঠালনতলা খাল এবং অন্য পাশে মহাসড়ক ও রেললাইন থাকায় খালটিই ছিল তাদের যাতায়াতের একমাত্র পথ।

অভিযোগ রয়েছে, ঢাকার ধানমন্ডির বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন খালটি বালু দিয়ে ভরাট করে সেখানে ঘর ও পাকা গেট নির্মাণ করেছেন। এতে শুধু সরকারি সম্পদ দখলই হয়নি, বরং জমিতে প্রবেশের পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে প্রায় ৮২ শতাংশ জমি ব্যবহার করতে না পেরে তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

ভুক্তভোগীরা জানান, বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন ও আইনি পদক্ষেপ নিলেও এখনো কার্যকর সমাধান পাননি। তারা দ্রুত তদন্ত করে অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং খালটি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীর প্যানেল শালিশে এ্যাডভোকেট বেলায়েত হোসেন, সোয়াইব হোসেন সোয়েব, আবুল বাশার, মশিউর রহমান ও বাদশাহ মোল্লা উভয় পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করেন। শালিশে জানা যায়, প্রায় এক একর প্রবাহমান খাল বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে।

অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা না গেলেও তার স্থানীয় প্রতিনিধি সরদার পারভেজ দাবি করেন, জমি নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন।

এদিকে পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) নেতৃবৃন্দ খালটি দখলমুক্ত করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত