খুলনা মহানগরীতে সামান্য বৃষ্টিতেই ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। জৈষ্ঠ্যের শেষ দিকে এক পশলা বৃষ্টিতে আবারও থমকে গেছে নগরীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। রূপসা পাড়ের ব্যস্ত এই শহর এক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ফিরে গেছে সেই চিরচেনা জলমগ্ন রূপে।
রয়্যাল মোড়, পিটিআই মোড়, শিববাড়ি, কেডিএ এভিনিউ, খানজাহান আলী রোড, টুটপাড়া, নিরালা, চানমারীসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি জমে যায়। এতে ইজিবাইক, রিকশা ও যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। অনেক গাড়ি বিকল হয়ে রাস্তায় আটকে পড়ে। সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।
জলাবদ্ধতায় শুধু যাতায়াতই নয়, বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। দোকানে ড্রেনের নোংরা পানি ঢুকে চাল, ডাল, পেঁয়াজসহ পচনশীল পণ্য ও আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। বাসাবাড়ির নিচতলাও পানিতে তলিয়ে গিয়ে ইলেকট্রনিক ও আসবাবপত্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ৮২৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকার ড্রেনেজ মেগা প্রকল্প চলমান থাকলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। প্রায় ১৫৮ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ ও ১২টি খাল পুনঃখননের কাজ চললেও বাস্তবে পানিনিষ্কাশনে কার্যকর পরিবর্তন আসেনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সমন্বয়হীন নগর উন্নয়ন, খাল দখল ও ভরাট, এবং রূপসা নদীর নাব্যতা সংকট এই তিন কারণেই খুলনার জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। অন্যদিকে কেসিসি বলছে, কিছু ফিনিশিং কাজ ও বর্জ্য জমে যাওয়ার কারণে পানি নিষ্কাশনে বিলম্ব হচ্ছে।
তবে নগরবাসীর অভিযোগ, কোটি টাকার প্রকল্পের পরও প্রতি বছর একই দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। ফলে আসন্ন বর্ষায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
খুলনা মহানগরীতে সামান্য বৃষ্টিতেই ভয়াবহ জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। জৈষ্ঠ্যের শেষ দিকে এক পশলা বৃষ্টিতে আবারও থমকে গেছে নগরীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। রূপসা পাড়ের ব্যস্ত এই শহর এক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ফিরে গেছে সেই চিরচেনা জলমগ্ন রূপে।
রয়্যাল মোড়, পিটিআই মোড়, শিববাড়ি, কেডিএ এভিনিউ, খানজাহান আলী রোড, টুটপাড়া, নিরালা, চানমারীসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি জমে যায়। এতে ইজিবাইক, রিকশা ও যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। অনেক গাড়ি বিকল হয়ে রাস্তায় আটকে পড়ে। সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।
জলাবদ্ধতায় শুধু যাতায়াতই নয়, বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। দোকানে ড্রেনের নোংরা পানি ঢুকে চাল, ডাল, পেঁয়াজসহ পচনশীল পণ্য ও আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। বাসাবাড়ির নিচতলাও পানিতে তলিয়ে গিয়ে ইলেকট্রনিক ও আসবাবপত্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ৮২৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকার ড্রেনেজ মেগা প্রকল্প চলমান থাকলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। প্রায় ১৫৮ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ ও ১২টি খাল পুনঃখননের কাজ চললেও বাস্তবে পানিনিষ্কাশনে কার্যকর পরিবর্তন আসেনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সমন্বয়হীন নগর উন্নয়ন, খাল দখল ও ভরাট, এবং রূপসা নদীর নাব্যতা সংকট এই তিন কারণেই খুলনার জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। অন্যদিকে কেসিসি বলছে, কিছু ফিনিশিং কাজ ও বর্জ্য জমে যাওয়ার কারণে পানি নিষ্কাশনে বিলম্ব হচ্ছে।
তবে নগরবাসীর অভিযোগ, কোটি টাকার প্রকল্পের পরও প্রতি বছর একই দুর্ভোগের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। ফলে আসন্ন বর্ষায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
