বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান এলাকাবাসী

ভোলাহাটে হিংস্র কুকুরের তাণ্ডব, ছাগল-ভেড়া হারিয়ে নিঃস্ব গ্রামবাসী

ভোলাহাটে হিংস্র কুকুরের তাণ্ডব, ছাগল-ভেড়া হারিয়ে নিঃস্ব গ্রামবাসী
ছবি : চেকপোস্ট

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার সুরানপুর গ্রামে হিংস্র কুকুরের আক্রমণে একের পর এক ছাগল ও ভেড়া মারা যাওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আকস্মিক এই উপদ্রবে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারগুলো।

স্থানীয়রা জানান, সুরানপুর গ্রামের অধিকাংশ পরিবারের জীবিকার অন্যতম ভরসা হলো ছাগল ও ভেড়া পালন। অনেক পরিবার এক-দুটি গবাদিপশু লালন-পালন করে সংসারের বাড়তি আয় মেটায়। কিন্তু হিংস্র কুকুরের আক্রমণে এসব পশু মারা যাওয়ায় মুহূর্তেই তাদের স্বপ্ন ও আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত কিছুদিন ধরে গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় কুকুরের আক্রমণের ঘটনা বাড়ছে। এতে শুধু গবাদিপশুর ক্ষতিই নয়, মানুষের মধ্যেও জলাতঙ্কের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুকুরের কামড়ে আহত একটি ছাগলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে এক বাসিন্দার বাবাকেও জলাতঙ্কের প্রতিষেধক টিকা নিতে হয়েছে। এতে গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলো জানায়, গরিব মানুষের জন্য একটি ছাগল বা ভেড়া হারানো মানে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি। তাই দ্রুত হিংস্র কুকুর নিয়ন্ত্রণ, জলাতঙ্ক প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

#ভোলাহাট #হিংস্র_কুকুরের_আতঙ্ক #সুরানপুর_গ্রাম

চেকপোস্ট

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬


ভোলাহাটে হিংস্র কুকুরের তাণ্ডব, ছাগল-ভেড়া হারিয়ে নিঃস্ব গ্রামবাসী

প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬

featured Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার সুরানপুর গ্রামে হিংস্র কুকুরের আক্রমণে একের পর এক ছাগল ও ভেড়া মারা যাওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আকস্মিক এই উপদ্রবে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারগুলো।

স্থানীয়রা জানান, সুরানপুর গ্রামের অধিকাংশ পরিবারের জীবিকার অন্যতম ভরসা হলো ছাগল ও ভেড়া পালন। অনেক পরিবার এক-দুটি গবাদিপশু লালন-পালন করে সংসারের বাড়তি আয় মেটায়। কিন্তু হিংস্র কুকুরের আক্রমণে এসব পশু মারা যাওয়ায় মুহূর্তেই তাদের স্বপ্ন ও আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত কিছুদিন ধরে গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় কুকুরের আক্রমণের ঘটনা বাড়ছে। এতে শুধু গবাদিপশুর ক্ষতিই নয়, মানুষের মধ্যেও জলাতঙ্কের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুকুরের কামড়ে আহত একটি ছাগলের চিকিৎসা করাতে গিয়ে এক বাসিন্দার বাবাকেও জলাতঙ্কের প্রতিষেধক টিকা নিতে হয়েছে। এতে গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলো জানায়, গরিব মানুষের জন্য একটি ছাগল বা ভেড়া হারানো মানে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি। তাই দ্রুত হিংস্র কুকুর নিয়ন্ত্রণ, জলাতঙ্ক প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত