রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে পৃথক অভিযানে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে চুরির মামলার দুই আসামি, মাদক মামলার এক আসামি, এনআই অ্যাক্টের পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামি এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় দুইজন রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার নাঈমুল হাছানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেরাজুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ৮ জুলাই দিবাগত রাত থেকে ৯ জুলাই ভোর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে।
চুরির মামলায় গ্রেপ্তাররা হলেন বাউসা ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামের ইস্তা মণ্ডলের ছেলে নাঈম ইসলাম (৩০) এবং একই ইউনিয়নের তেতুলিয়া গ্রামের জয়নুদ্দিনের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৩০)। পুলিশ জানায়, গত ৪ জুলাই দিবাগত রাতে তারা তেপুকুরিয়া গ্রামের মানিকুর রহমানের বাড়ি থেকে একটি ল্যাপটপের চার্জার, একটি ইলেকট্রিক চুলা, একজোড়া স্পিকারসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি করেন। পরে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তাদের দেখানো মতে চোরাই মালামালের মধ্যে একটি ইলেকট্রিক চুলা, একজোড়া স্পিকার এবং একটি ল্যাপটপ চার্জার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বাঘা থানায় একটি নিয়মিত চুরির মামলা দায়ের হয়েছে।
অন্যদিকে, মনিগ্রাম ইউনিয়নের হাবাশপুর গ্রামের মাহবুবুর রহমানের ছেলে মো. মারুফ (২০)-কে হাবাশপুর এলাকা থেকে আট পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
এ ছাড়া এনআই অ্যাক্টের পরোয়ানাভুক্ত আসামি বাজুবাঘা ইউনিয়নের বাজুবাঘা উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত হযরত আলী শেখের ছেলে আব্দুল করিম এবং চক ছাতারি গ্রামের আব্দুস সামাদ সরকারের ছেলে সিরাজুল ইসলামকে নিজ নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, আড়ানী এলাকা থেকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার কেশব মিলকি পাড়া গ্রামের ওমর কবিরাজের ছেলে কামরুল ইসলাম (৩২) এবং বাগাতিপাড়া উপজেলার পেয়ার বাড়িয়া গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (৩৭)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া সাতজনকেই সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে পৃথক অভিযানে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে চুরির মামলার দুই আসামি, মাদক মামলার এক আসামি, এনআই অ্যাক্টের পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামি এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় দুইজন রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার নাঈমুল হাছানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেরাজুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ৮ জুলাই দিবাগত রাত থেকে ৯ জুলাই ভোর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে।
চুরির মামলায় গ্রেপ্তাররা হলেন বাউসা ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামের ইস্তা মণ্ডলের ছেলে নাঈম ইসলাম (৩০) এবং একই ইউনিয়নের তেতুলিয়া গ্রামের জয়নুদ্দিনের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৩০)। পুলিশ জানায়, গত ৪ জুলাই দিবাগত রাতে তারা তেপুকুরিয়া গ্রামের মানিকুর রহমানের বাড়ি থেকে একটি ল্যাপটপের চার্জার, একটি ইলেকট্রিক চুলা, একজোড়া স্পিকারসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি করেন। পরে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তাদের দেখানো মতে চোরাই মালামালের মধ্যে একটি ইলেকট্রিক চুলা, একজোড়া স্পিকার এবং একটি ল্যাপটপ চার্জার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বাঘা থানায় একটি নিয়মিত চুরির মামলা দায়ের হয়েছে।
অন্যদিকে, মনিগ্রাম ইউনিয়নের হাবাশপুর গ্রামের মাহবুবুর রহমানের ছেলে মো. মারুফ (২০)-কে হাবাশপুর এলাকা থেকে আট পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
এ ছাড়া এনআই অ্যাক্টের পরোয়ানাভুক্ত আসামি বাজুবাঘা ইউনিয়নের বাজুবাঘা উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত হযরত আলী শেখের ছেলে আব্দুল করিম এবং চক ছাতারি গ্রামের আব্দুস সামাদ সরকারের ছেলে সিরাজুল ইসলামকে নিজ নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, আড়ানী এলাকা থেকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার কেশব মিলকি পাড়া গ্রামের ওমর কবিরাজের ছেলে কামরুল ইসলাম (৩২) এবং বাগাতিপাড়া উপজেলার পেয়ার বাড়িয়া গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে সোহেল রানা (৩৭)-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া সাতজনকেই সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
