হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা পরিষদের কালাউক হেডকোয়ার্টার দীর্ঘদিন ধরে সীমানা প্রাচীরবিহীন থাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। উপজেলা পরিষদ চত্বর ও আবাসিক এলাকায় বহিরাগতদের অবাধ যাতায়াতের কারণে চুরি ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৪ সালে কালাউকে লাখাই উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও উপজেলা পরিষদ ও আবাসিক এলাকার চারপাশে এখনো নির্মাণ হয়নি সীমানা প্রাচীর।
সীমানা প্রাচীর না থাকায় সরকারি কোয়ার্টার ও অফিস এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশ সহজ হয়ে গেছে। এরই মধ্যে অফিসার্স কোয়ার্টারসহ কয়েকটি সরকারি স্থাপনায় চুরির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
নিরাপত্তাহীনতা ও জরাজীর্ণ পরিবেশের কারণে অনেক কর্মকর্তা সরকারি কোয়ার্টারে না থেকে হবিগঞ্জ জেলা সদরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকছেন। ফলে অনেক সরকারি আবাসন খালি পড়ে রয়েছে এবং সরকার রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।
কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, কোয়ার্টারগুলোর অবস্থা নাজুক হওয়ার পাশাপাশি সীমানা প্রাচীর না থাকায় রাতে বখাটেদের আনাগোনা দেখা যায়। এতে পরিবার নিয়ে বসবাস করাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা একেএম আবদুস শাহেদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম রাকিব এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন জানান, সীমানা প্রাচীর না থাকায় বহিরাগতদের উৎপাত বেড়েছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, রাতে টহলের সময় উপজেলা পরিষদ এলাকায় বহিরাগত ও বখাটেদের অবস্থান করতে দেখা যায়। নিরাপত্তার জন্য দ্রুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণ প্রয়োজন।
লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বলেন, উপজেলা পরিষদ ও আবাসিক এলাকা অরক্ষিত থাকায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণ জরুরি। এ জন্য বরাদ্দ চাওয়া হবে। পাশাপাশি নৈশপ্রহরী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা পরিষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা পরিষদের কালাউক হেডকোয়ার্টার দীর্ঘদিন ধরে সীমানা প্রাচীরবিহীন থাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। উপজেলা পরিষদ চত্বর ও আবাসিক এলাকায় বহিরাগতদের অবাধ যাতায়াতের কারণে চুরি ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৪ সালে কালাউকে লাখাই উপজেলা পরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও উপজেলা পরিষদ ও আবাসিক এলাকার চারপাশে এখনো নির্মাণ হয়নি সীমানা প্রাচীর।
সীমানা প্রাচীর না থাকায় সরকারি কোয়ার্টার ও অফিস এলাকায় বহিরাগতদের প্রবেশ সহজ হয়ে গেছে। এরই মধ্যে অফিসার্স কোয়ার্টারসহ কয়েকটি সরকারি স্থাপনায় চুরির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
নিরাপত্তাহীনতা ও জরাজীর্ণ পরিবেশের কারণে অনেক কর্মকর্তা সরকারি কোয়ার্টারে না থেকে হবিগঞ্জ জেলা সদরে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকছেন। ফলে অনেক সরকারি আবাসন খালি পড়ে রয়েছে এবং সরকার রাজস্ব থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।
কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, কোয়ার্টারগুলোর অবস্থা নাজুক হওয়ার পাশাপাশি সীমানা প্রাচীর না থাকায় রাতে বখাটেদের আনাগোনা দেখা যায়। এতে পরিবার নিয়ে বসবাস করাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা একেএম আবদুস শাহেদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম রাকিব এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন জানান, সীমানা প্রাচীর না থাকায় বহিরাগতদের উৎপাত বেড়েছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।
লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, রাতে টহলের সময় উপজেলা পরিষদ এলাকায় বহিরাগত ও বখাটেদের অবস্থান করতে দেখা যায়। নিরাপত্তার জন্য দ্রুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণ প্রয়োজন।
লাখাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ মুরাদ ইসলাম বলেন, উপজেলা পরিষদ ও আবাসিক এলাকা অরক্ষিত থাকায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণ জরুরি। এ জন্য বরাদ্দ চাওয়া হবে। পাশাপাশি নৈশপ্রহরী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা পরিষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত সীমানা প্রাচীর নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
