রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

সর্বস্ব হারাচ্ছে মানুষ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার ভয়াল ভাঙন: বিলীন দুই শতাধিক ঘরবাড়ি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার ভয়াল ভাঙন: বিলীন দুই শতাধিক ঘরবাড়ি
ছবি : চেকপোস্ট

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পদ্মা নদী তীরবর্তী এলাকায় ভয়াবহ ভাঙনে গত এক মাসে প্রায় দুই শতাধিক বসতবাড়ি, শতাধিক বিঘা আবাদি জমি ও আমবাগান নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে গমের চরসহ আশপাশের এলাকার মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, বর্ষার ভারী বৃষ্টিপাত, উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল স্রোত এবং ফারাক্কা বাঁধের গেট খোলার পর পদ্মায় পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন তীব্র হয়েছে।

নদীভাঙনে শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা, দুর্লভপুর ও উজিরপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। একই সঙ্গে ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় ৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিজিবি ক্যাম্প ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র।

ভুক্তভোগীরা জানান, গত কয়েক বছরে পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে সহস্রাধিক পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এ পর্যন্ত প্রায় ২০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, শিবগঞ্জ উপজেলার পদ্মার পূর্ব তীর রক্ষায় ৭৪৮ কোটি টাকার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং শিগগিরই মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

পাশাপাশি নদীর পশ্চিম তীরেও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের একটি প্রস্তাবনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

#চাঁপাইনবাবগঞ্জের_খবর #পদ্মা_নদীর_ভাঙন #শিবগঞ্জ_উপজেলা

চেকপোস্ট

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মার ভয়াল ভাঙন: বিলীন দুই শতাধিক ঘরবাড়ি

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পদ্মা নদী তীরবর্তী এলাকায় ভয়াবহ ভাঙনে গত এক মাসে প্রায় দুই শতাধিক বসতবাড়ি, শতাধিক বিঘা আবাদি জমি ও আমবাগান নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে গমের চরসহ আশপাশের এলাকার মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, বর্ষার ভারী বৃষ্টিপাত, উজান থেকে নেমে আসা পানির প্রবল স্রোত এবং ফারাক্কা বাঁধের গেট খোলার পর পদ্মায় পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় ভাঙন তীব্র হয়েছে।

নদীভাঙনে শিবগঞ্জ উপজেলার পাঁকা, দুর্লভপুর ও উজিরপুর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। একই সঙ্গে ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় ৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিজিবি ক্যাম্প ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র।

ভুক্তভোগীরা জানান, গত কয়েক বছরে পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে সহস্রাধিক পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এ পর্যন্ত প্রায় ২০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, শিবগঞ্জ উপজেলার পদ্মার পূর্ব তীর রক্ষায় ৭৪৮ কোটি টাকার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে এবং শিগগিরই মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

পাশাপাশি নদীর পশ্চিম তীরেও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের একটি প্রস্তাবনা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত