পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালী গ্রাম এখন সূর্যমুখীর হলুদ সমারোহে রূপ নিয়েছে এক মনোমুগ্ধকর কৃষি পর্যটন কেন্দ্রে। একসময় ধানক্ষেতের এই এলাকা এখন কৃষকের নতুন সম্ভাবনার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিস্তীর্ণ এলাকায় সূর্যমুখী চাষ হওয়ায় কৃষকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। কম খরচ, কম শ্রম এবং বেশি লাভজনক হওয়ায় এই ফসলের প্রতি আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে পিরোজপুরের ৭ উপজেলায় প্রায় ৯৮৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে দুই থেকে আড়াই টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
কৈবর্তখালী গ্রামের সূর্যমুখী ক্ষেত এখন দর্শনার্থীদের আকর্ষণ কেন্দ্রেও পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন শত শত মানুষ পরিবারসহ এসে ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন ও ছবি তুলছেন।
সূর্যমুখী চাষি খোকন হোসেন বলেন, এবার প্রথম সূর্যমুখী চাষ করেছি এবং ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে বীজ সহায়তা পেয়েছি। সহজ শর্তে ঋণ পেলে আরও চাষ বৃদ্ধি সম্ভব।
চাষি মোস্তফা হাওলাদার জানান, এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষ করে লাভজনক ফল পেয়েছেন। সরকারি কৃষি কার্ড ও সহজ ঋণ পেলে কৃষকরা আরও উৎসাহিত হবেন।
আরেক চাষি রফিক উদ্দিন বলেন, সূর্যমুখী শুধু লাভজনক ফসল নয়, এটি এখন এলাকার পর্যটন আকর্ষণও তৈরি করেছে।
দর্শনার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন, পরিবারের সঙ্গে এসে সূর্যমুখী ক্ষেত দেখে খুব ভালো লেগেছে এবং অনেক ছবি তুলেছেন।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার জানান, কৃষকদের বীজ, প্রশিক্ষণ ও মাঠ পর্যায়ে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আগামী বছরে সূর্যমুখী চাষ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালী গ্রাম এখন সূর্যমুখীর হলুদ সমারোহে রূপ নিয়েছে এক মনোমুগ্ধকর কৃষি পর্যটন কেন্দ্রে। একসময় ধানক্ষেতের এই এলাকা এখন কৃষকের নতুন সম্ভাবনার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিস্তীর্ণ এলাকায় সূর্যমুখী চাষ হওয়ায় কৃষকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। কম খরচ, কম শ্রম এবং বেশি লাভজনক হওয়ায় এই ফসলের প্রতি আগ্রহ দ্রুত বাড়ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে পিরোজপুরের ৭ উপজেলায় প্রায় ৯৮৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে দুই থেকে আড়াই টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
কৈবর্তখালী গ্রামের সূর্যমুখী ক্ষেত এখন দর্শনার্থীদের আকর্ষণ কেন্দ্রেও পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন শত শত মানুষ পরিবারসহ এসে ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন ও ছবি তুলছেন।
সূর্যমুখী চাষি খোকন হোসেন বলেন, এবার প্রথম সূর্যমুখী চাষ করেছি এবং ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে বীজ সহায়তা পেয়েছি। সহজ শর্তে ঋণ পেলে আরও চাষ বৃদ্ধি সম্ভব।
চাষি মোস্তফা হাওলাদার জানান, এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী চাষ করে লাভজনক ফল পেয়েছেন। সরকারি কৃষি কার্ড ও সহজ ঋণ পেলে কৃষকরা আরও উৎসাহিত হবেন।
আরেক চাষি রফিক উদ্দিন বলেন, সূর্যমুখী শুধু লাভজনক ফসল নয়, এটি এখন এলাকার পর্যটন আকর্ষণও তৈরি করেছে।
দর্শনার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন, পরিবারের সঙ্গে এসে সূর্যমুখী ক্ষেত দেখে খুব ভালো লেগেছে এবং অনেক ছবি তুলেছেন।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার জানান, কৃষকদের বীজ, প্রশিক্ষণ ও মাঠ পর্যায়ে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আগামী বছরে সূর্যমুখী চাষ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
