পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের (তৃণমূল কংগ্রেস) দেড় দশকের শাসন কাঠামো ভেঙে পড়ার পথে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
ভোট গণনা চলাকালেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে, রাজ্যে গেরুয়া শিবিরের প্রভাব দ্রুত বাড়ছে। ফলে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকার গঠনের দিকে এগোচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমদ বলেন, ভারতের কেন্দ্রীয় নীতিতে বড় কোনো হঠাৎ পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তার মতে, বিদ্যমান কূটনৈতিক কাঠামোই আপাতত বজায় থাকবে, যা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কেও ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করবে।
তিনি আরও বলেন, দিল্লির সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ ইতোমধ্যেই কার্যকর পর্যায়ে রয়েছে, ফলে সম্পর্ক ভেঙে পড়ার আশঙ্কা নেই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমেনা মহসিন বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মূলত ঢাকা ও দিল্লির মধ্যেই নির্ধারিত হয়, কোনো রাজ্য সরকারের মাধ্যমে নয়। তাই কেন্দ্রীয় সরকারকেই সমন্বয়ের মূল ভূমিকা নিতে হবে।
সীমান্তে উত্তেজনা ও ‘পুশব্যাক’ ইস্যু নতুন কূটনৈতিক জটিলতা তৈরি করতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
বেনাপোল–পেট্রাপোল স্থলবন্দর দুই দেশের বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার হওয়ায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের (তৃণমূল কংগ্রেস) দেড় দশকের শাসন কাঠামো ভেঙে পড়ার পথে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
ভোট গণনা চলাকালেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে, রাজ্যে গেরুয়া শিবিরের প্রভাব দ্রুত বাড়ছে। ফলে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকার গঠনের দিকে এগোচ্ছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমদ বলেন, ভারতের কেন্দ্রীয় নীতিতে বড় কোনো হঠাৎ পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তার মতে, বিদ্যমান কূটনৈতিক কাঠামোই আপাতত বজায় থাকবে, যা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কেও ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করবে।
তিনি আরও বলেন, দিল্লির সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ ইতোমধ্যেই কার্যকর পর্যায়ে রয়েছে, ফলে সম্পর্ক ভেঙে পড়ার আশঙ্কা নেই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমেনা মহসিন বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মূলত ঢাকা ও দিল্লির মধ্যেই নির্ধারিত হয়, কোনো রাজ্য সরকারের মাধ্যমে নয়। তাই কেন্দ্রীয় সরকারকেই সমন্বয়ের মূল ভূমিকা নিতে হবে।
সীমান্তে উত্তেজনা ও ‘পুশব্যাক’ ইস্যু নতুন কূটনৈতিক জটিলতা তৈরি করতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
বেনাপোল–পেট্রাপোল স্থলবন্দর দুই দেশের বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান প্রবেশদ্বার হওয়ায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।
