নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মুমূর্ষু রোগীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযুক্ত চিকিৎসকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, কয়েকদিন আগে গভীর রাতে, আনুমানিক রাত ২টা থেকে ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ এক রোগীকে ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় স্বজনরা তাৎক্ষণিক চিকিৎসার অনুরোধ জানান।
অভিযোগ অনুযায়ী, জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. শাফিহা রোগীকে ভর্তি না করলে হাসপাতাল থেকে ওষুধ দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানান। পরে তিনি একটি প্রেসক্রিপশন লিখে বাইরে থেকে ওষুধ সংগ্রহ করার পরামর্শ দেন।
রোগীর স্বজনদের ভাষ্য, গভীর রাতে এলাকার অধিকাংশ ওষুধের দোকান বন্ধ থাকায় তাৎক্ষণিক ওষুধ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। তাদের অভিযোগ, হাসপাতালে ওষুধ মজুত থাকা সত্ত্বেও জরুরি পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা না দেওয়ায় রোগীর জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, জরুরি বিভাগে রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হাসপাতালের দায়িত্ব। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. শাফিহার বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশীষ কুমার সরকার বলেন, অভিযোগটি তার জানা ছিল না। তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সত্যতা মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মুমূর্ষু রোগীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ওষুধ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযুক্ত চিকিৎসকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, কয়েকদিন আগে গভীর রাতে, আনুমানিক রাত ২টা থেকে ২টা ৩০ মিনিটের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ এক রোগীকে ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় স্বজনরা তাৎক্ষণিক চিকিৎসার অনুরোধ জানান।
অভিযোগ অনুযায়ী, জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. শাফিহা রোগীকে ভর্তি না করলে হাসপাতাল থেকে ওষুধ দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানান। পরে তিনি একটি প্রেসক্রিপশন লিখে বাইরে থেকে ওষুধ সংগ্রহ করার পরামর্শ দেন।
রোগীর স্বজনদের ভাষ্য, গভীর রাতে এলাকার অধিকাংশ ওষুধের দোকান বন্ধ থাকায় তাৎক্ষণিক ওষুধ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। তাদের অভিযোগ, হাসপাতালে ওষুধ মজুত থাকা সত্ত্বেও জরুরি পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা না দেওয়ায় রোগীর জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, জরুরি বিভাগে রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হাসপাতালের দায়িত্ব। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. শাফিহার বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশীষ কুমার সরকার বলেন, অভিযোগটি তার জানা ছিল না। তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সত্যতা মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
