রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিক্ষোভ মিছিলের ভিডিও ও ছবি ধারণ করতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। মিছিল শেষে নেতাদের বক্তব্য চলাকালে একপর্যায়ে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে কয়েকজন সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগও ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, এ ঘটনায় যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার রাব্বী সিদ্দিকী এবং দৈনিক সকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মাহফুজুর রহমান শিশির আহত হন।
সাংবাদিকরা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহি এবং ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
গণমাধ্যমকর্মীদের ভাষ্য, কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা বা ভয়ভীতি প্রদর্শন গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ কর্মসূচি চলাকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিক্ষোভ মিছিলের ভিডিও ও ছবি ধারণ করতে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। মিছিল শেষে নেতাদের বক্তব্য চলাকালে একপর্যায়ে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর সঙ্গে হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে কয়েকজন সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগও ওঠে।
অভিযোগ অনুযায়ী, এ ঘটনায় যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার রাব্বী সিদ্দিকী এবং দৈনিক সকালের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মাহফুজুর রহমান শিশির আহত হন।
সাংবাদিকরা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশ বাধাগ্রস্ত হবে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহি এবং ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
গণমাধ্যমকর্মীদের ভাষ্য, কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা বা ভয়ভীতি প্রদর্শন গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
