দেশের আইনজীবী সমিতিগুলোর নির্বাচনে এবার ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। কোথাও বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ জয় পেয়েছেন, আবার কিছু জায়গায় আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরাও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছেন।
২০২৬–২৭ সেশনে সুপ্রিম কোর্টসহ সারা দেশে মোট ৪৯টি আইনজীবী সমিতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে কিছু সমিতিতে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা অংশ নিলেও অনেক জায়গায় তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
ফলাফলে দেখা যায়, কয়েকটি সমিতিতে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ পদে জয় পেয়েছেন, আবার কিছু সমিতিতে বিএনপি ও জামায়াতপন্থি আইনজীবীরাও বিভিন্ন পদে বিজয়ী হয়েছেন।
পিরোজপুর, মাদারীপুর, নোয়াখালী, সিলেট, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জেলার ফলাফলে মিশ্র চিত্র দেখা যায়। কোথাও আওয়ামীপন্থিরা গুরুত্বপূর্ণ পদে জয়ী হয়েছেন, আবার কোথাও বিএনপিপন্থিরা প্রায় সব পদে জয় পেয়েছেন।
এর মধ্যে কিছু সমিতিতে মনোনয়ন বাতিল, অংশগ্রহণে বাধা এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের অভিযোগও উঠেছে।
সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনেও আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের অংশগ্রহণ সীমিত ছিল বলে জানা যায়। ফলে অধিকাংশ পদে বিএনপিপন্থিরা জয়ী হন।
বাংলাদেশ জাতীয় আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাহ মো. খসরুজ্জামান বলেন, আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সব দলের সমান সুযোগ থাকা উচিত। তার মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রভাবিত হওয়া উদ্বেগজনক।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ বলেন, আগে পরোক্ষভাবে প্রতিপক্ষকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখা হতো, এখন তা আরও সরাসরি হচ্ছে যা বিচারাঙ্গনের জন্য নেতিবাচক বার্তা দেয়।
আইনজীবী মহলের মতে, নির্বাচনে অংশগ্রহণ, মনোনয়ন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত না হলে বিচারাঙ্গনের গণতান্ত্রিক চর্চা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
দেশের আইনজীবী সমিতিগুলোর নির্বাচনে এবার ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। কোথাও বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ জয় পেয়েছেন, আবার কিছু জায়গায় আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরাও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছেন।
২০২৬–২৭ সেশনে সুপ্রিম কোর্টসহ সারা দেশে মোট ৪৯টি আইনজীবী সমিতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে কিছু সমিতিতে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা অংশ নিলেও অনেক জায়গায় তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
ফলাফলে দেখা যায়, কয়েকটি সমিতিতে আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ পদে জয় পেয়েছেন, আবার কিছু সমিতিতে বিএনপি ও জামায়াতপন্থি আইনজীবীরাও বিভিন্ন পদে বিজয়ী হয়েছেন।
পিরোজপুর, মাদারীপুর, নোয়াখালী, সিলেট, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জেলার ফলাফলে মিশ্র চিত্র দেখা যায়। কোথাও আওয়ামীপন্থিরা গুরুত্বপূর্ণ পদে জয়ী হয়েছেন, আবার কোথাও বিএনপিপন্থিরা প্রায় সব পদে জয় পেয়েছেন।
এর মধ্যে কিছু সমিতিতে মনোনয়ন বাতিল, অংশগ্রহণে বাধা এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের অভিযোগও উঠেছে।
সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনেও আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের অংশগ্রহণ সীমিত ছিল বলে জানা যায়। ফলে অধিকাংশ পদে বিএনপিপন্থিরা জয়ী হন।
বাংলাদেশ জাতীয় আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাহ মো. খসরুজ্জামান বলেন, আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সব দলের সমান সুযোগ থাকা উচিত। তার মতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রভাবিত হওয়া উদ্বেগজনক।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ বলেন, আগে পরোক্ষভাবে প্রতিপক্ষকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখা হতো, এখন তা আরও সরাসরি হচ্ছে যা বিচারাঙ্গনের জন্য নেতিবাচক বার্তা দেয়।
আইনজীবী মহলের মতে, নির্বাচনে অংশগ্রহণ, মনোনয়ন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত না হলে বিচারাঙ্গনের গণতান্ত্রিক চর্চা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
